সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরে ১১টি গ্রামে (আজ) আগাম ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে ।
এ উপলক্ষে রবিবার সকাল ১০টায় রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন পূর্ব নোয়াগাঁও তালিমুল কুরআন নুরানী মাদ্রাসা মাঠে ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন হযরত মাওলানা মুফতি আমিনুল ইসলাম খান । তিনি ঢাকার মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক পদে কর্মরত ।
একই দিনে জেলার রামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নোয়াগাঁও, জয়পুরার বলোড়া , বিঘা, হোটাটিয়া, শরশৈ, কানপুর, রামগঞ্জ পৌরসভার জাহাঙ্গীর টাওয়ার ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপা ও সদরের বশিকপুর গ্রামসহ ১১টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধীক মুসল্লী ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।
এর পূর্বে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এখানে অনুষ্ঠিত ঈদের জামাত ঈমামতি করতেন তারই পিতা মরহুম মাওলানা নেছার আহমদ । এসব গ্রামের প্রায় সহস্রাধীক মুসল্লী পৃথক পৃথক ভাবে বিভিন্ন সময়ে স্ব স্ব ঈদ গাঁ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় কররেন ।
মাওলানা ইসহাক (রাঃ) অনুসারী হিসেবে এসব এলাকার মানুষ পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সাথে মিল রেখে ঈদ সহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এসব গ্রামের মুসল্লীরা গত ৩৬ বছর যাবত সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন।
আজ ঈদুল আযহা পালন করার কারন হিসাবে মাওলানা মুফতি আমিনুল ইসলাম খান জানান, হানাফি মাযহাব অনুসারে প্রথম চন্দ্র দেখাকেই ধর্তব্য মানতে হবে, এবং সে অনুযায়ী ইসলামের যাবতীয় কার্যাবলী পালন করতে হবে। আঞ্চলিকতা কিংবা ভূখন্ডগত ভাবে নয়।


