দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কমে এখন বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ দু’দিন আগেও বন্দরে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। কাঁচা মরিচের দামের এ ঝাঁজ কমায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ।
হিলি বাজারের খুচরা মরিচ বিক্রেতা রমিজ উদ্দিন বলেন, ‘কয়েকদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে অনেক বেশি মরিচের আমদানি হয়েছে। এতে পাইকারি বাজারে দাম কমেছে। ফলে খুচরা বাজারেও অনেক টাকা দাম কমেছে।’
হিলি স্থলবন্দরে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে আমদানি অব্যাহত থাকায় দাম স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে বৃষ্টিপাত হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরেই বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি কমে যায়। এতেই দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচের আমদানি অনেকটাই বেড়েছে। আর এতেই কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কমেছে।’
আরও পড়ুন- মসজিদে নামাজ পড়তে এসে মুসল্লির মৃত্যু
আসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘ক’দিন আগে আমরা ১৪৫-১৫০ টাকা কেজি দরে মরিচ কিনেছিলাম। আজ একদিনেই ৫০ টাকা কমেছে। এখন খুচরা বাজারে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।’
কাঁচা মরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সম্প্রতি ভারতে বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষকরা ক্ষেত থেকে কাঁচা মরিচ তুলতে পারেননি। যার কারণে আমদানি কমে যায়। ভারতে বর্তমানে আবহাওয়া ভালো হওয়ায় কৃষকরা ক্ষেত থেকে কাঁচা মরিচ তুলতে শুরু করেছেন। ভারতের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। এতে করে বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচের আমদানিও বেড়েছে।’
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে ৪ ট্রাকে ২৯ টন ৮৫ কেজি, বুধবার ৩ ট্রাকে ২৫ টন ২৪০ কেজি ও বৃহস্পতিবার ১৩টি ট্রাকে ১০৫ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে।’