গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

লক্ষ্মীপুরে সাড়ে ৪ কোটি টাকার বরাদ্দ বাস্তবায়নে শঙ্কা : নেপথ্যে পিআইও

সাজ্জাদুর রহমান
ডিসেম্বর ২৪, ২০২২ ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নেই। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন পাশ্ববর্তী রামগতি উপজেলার পিআইও জহিরুল ইসলাম। কমলনগরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা না থাকায় সরকারি উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। চলতি ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচীর ৪ কোটি ৪১ লাখ টাকার বরাদ্দ বাস্তবায়নে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। রয়েছে নানান অভিযোগ।

জানা গেছে, জহিরুল ইসলাম দুই বছর আগে রামগতি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এদিকে, কমলনগর উপজেলায় পিআইও পদ খালি থাকায় তিনি কমলনগরে অতিরিক্ত দায়িত্বে বসেছেন। একই সঙ্গে দুই উপজেলায় থেকে তিনি অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। কর্মস্থলে তাকে পাওয়া যায় না। সপ্তাহে দুইএকদিন এসে সই স্বাক্ষর করেন। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে আদায় করেন ঘুষ। এছাড়ও বিভিন্ন টেবিল ম্যানেজের অজুহাত দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেন।

অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পিআইও জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে উঠেছে অনিয়মের অভিযোগ। প্রকল্প বাস্তবায়নে রয়েছে তার ব্যাপক অনিয়ম। ৪০দিনের কর্মসূচীতে তার নেই সঠিক তদারকি। গোপন করছেন প্রকল্পের তালিকা। নোটিশ বোর্ডে দেননি শ্রমিক ও প্রকল্পের নাম। এখানে নির্ধারিত ২৬ নভেম্বর থেকে কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। নির্ধারিত সময়ের ১৪দিন পর দুই-চারটি ইউনিয়নে কাজ শুরু হয়। একযোগে প্রত্যেকটি প্রকল্পে ৪০দিন ধরে কাজ করার কথা কিন্তু বেশির ভাগ প্রকল্পে এখনও কাজই শুরু হয়নি। শুরু হওয়া প্রকল্পে নামমাত্র শ্রমিক দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। শ্রমিকের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে যন্ত্রের। একদিন কাজ করার পর দুই দিন বন্ধ থাকে। নারী শ্রমিক উপেক্ষিত। অনিয়মের এসব বিষয় এড়িয়ে টাকা হাতিয়ে নিতে যেন ৪০দিন গুনছেন পিআইও। গত অর্থ বছরেও কর্মসংস্থান কর্মসূচি’র বরাদ্দ নিয়ে নয়ছয় করার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। পিআইও যেন এখন উন্নয়নে বাধা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা ওই কর্মকর্তার যোগসাজশে ৪০দিনের কাজ দায়সারাভাবে করার চেষ্টা করছে। তারা মিলেমিশে কাগজ কলমে হিসাব মিলিয়ে মোটা অংকের টাকা আত্নসাতের পাঁয়তারা করছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, কর্মসংস্থান প্রকল্পে ৪০দিনের জন্য কমলনগরে বরাদ্দ ৪কোটি ৪১লাখ ৭৬ হাজার টাকা। উপজেলার ৯ ইউনিয়নে প্রতিদিন ২ হাজার ৭৬১জন দরিদ্র শ্রমিক কাজ করা কথা। কিন্তু সরেজমিনে এর ১০ ভাগের একভাগ শ্রমিকেরও দেখা মেলে না। এসবই হচ্ছে কাগজ কলমে, বাস্তবে যথাযথভাবে কাজ হচ্ছে না। এখানে কোটি কোটি টাকার কাজ নয়ছয় হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কমলনগরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা না থাকায়
অতিরিক্ত দায়িত্বের পিআইও তার খেয়াল খুশি মত প্রকল্প দিচ্ছেন। কুটকৌশল করে নামমাত্র বাস্তবায়ন দেখাচ্ছেন। তার ইন্দন ইশারায় হচ্ছে অনিয়ম। অনিয়ম ঢাকতে বিভিন্ন টেবিল ম্যানেজেও তিনি পটু। এভাবে চলতে থাকলে সরকারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। ভাগ-বাঁটোয়ারা হবে প্রকল্পের বেশিরভাগ টাকা।

বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে জানতে কমলনগরের কর্মস্থলে গিয়ে পিআইও জহিরুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। তাকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস বলেন, পিআইও দুই উপজেলার দায়িত্বে থাকায় কমলনগরের কর্মস্থলে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না। এখানে স্থায়ীভাবে একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রয়োজন। ৪০দিনের কর্মসূচির বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের কাজ পরিশর্দন করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান ইউএনও।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ইউনুছ মিয়া বলেন, কমলনগরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দেওয়ার বিষয়ে উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি ৪০দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিবেন। অনিয়মের বিষয়েও খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…