গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

রায়পুরে অর্থের অভাবে আটকে আছে দু’টি মসজিদের নির্মাণ কাজ

  • রায়পুরে অর্থের অভাবে আটকে আছে দু'টি মসজিদের নির্মাণ কাজ

    রায়পুরের উত্তর চরবংশি ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারের জামে মসজিদ | ছবিঃ শীর্ষ সংবাদ

Link Copied!

শিল্পপতি মোহাম্মদল আলী খোকন এবং চট্রগ্রাম আন্দরকিল্লাহ জামে মসজিদের খতিব আনোয়ার হোসাইন আলমাদানির হাত ধরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একটু একটু করে এগিয়ে চলছিলো পৃথক দুটি জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ। দুইটি মসজিদই ছিল টিনশেড ঘর।। মুসল্লিদের দুরবস্থার কথা চিন্তা করে মসজিদ পুনর্নির্মাণকাজ শুরু করেন তারা। কিন্তু আর্থিক সংকট এবং করোনাকালিন পরিস্থিতির কারণে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় মসজিদটির নির্মাণকাজ।

নির্মাণকাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুটি মসজিদে নামাজ আদায় নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন মুসল্লিরা। নির্মাণকাজ শেষ করতে না পারায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন দুই ব্যাক্তি।

রায়পুরের উত্তর চরবংশি ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারের জামে মসজিদটি ৮০ বছরের পুরাতন। এখানে তিন শতাধিক ব্যাবসায়ী ও শতাধিক পরিবারের মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন। তাদের বেশিরভাগই ব্যাবসায়ী, কৃষক ও খেটে-খাওয়া মানুষ।

খাসেরহাটবাজার জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠালগ্নে কুঁড়েঘর এবং হায়দরগন্জ বাজারের কেন্দ্রীয় মসজিদটি টিনের ঘর ছিল। পরে বিভিন্নজনের উদ্যোগে মসজিদে ঢেউটিন লাগানো হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে নামাজ পড়তে এসে নানারকম প্রতিকূলতার মুখে পড়তেন মুসল্লিরা। পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ২০১৯ সালের মার্চে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা শিল্পপতি মোহাম্মদ আলি খোকন খাসেরহাট বাজারের মসজিদ এবং চট্রগ্রাম আন্দরকিল্লাহ জামে মসজিদের খতিব আনোয়ার হোসাইন আলমাদানির উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেন।

কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে বেশিদূর এগুতে পারেননি তারা। ভেতরের ফ্লোর, সিলিং, বারান্দার ওয়াল, বাথরুমসহ কিছু কাজের জন্য রমজান মাসে নামাজ পড়তে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় মুসল্লিরা। নির্মাণাধীন মসজিদটির ফ্লোর সম্পূর্ণ নির্মাণ হলেও নামাজ আদায়ও সম্ভব হচ্ছে না।

চট্রগ্রাম আন্দরকিল্লাহ জামে মসজিদের খতিব ও ইসলামি ফাউন্ডেশনের গভর্ণর আনোয়ার হোসাইন তাহের আলমাদানি বলেন, কাজটি শেষ করতে না পেরে অপরাধবোধ কাজ করছে। কাজ শুরু করে চার বছরেও শেষ করতে পারলাম না। মুসল্লিরা মসজিদে এসে নামাজ আদায় করতে পারছেন না। একই কথা বলেন শিল্পপতি মোহাম্মদ আলি খোকন।

তারা উভয়ই বলেন, অনেক চেষ্টার পর টেনেটুনে অনেকটা কাজ শেষ করতে পেরেছি। কিন্তু বাকি কাজ এখন আর এগিয়ে নিতে পারছি না। মসজিদের পুরো কাজ শেষ করতে হলে আরো কয়েক কোটি টাকার মতো প্রয়োজন। ভেবে পাচ্ছি না কিভাবে কী করবো?

খাসেরহাট বাজার ব্যাবসায়ী ও মুসল্লি ফারুখ আহম্মেদ বলেন, নির্মাণকাজ শেষ না হলে মসজিদে এসে আর নামাজ আদায় হবে না। এক ফ্লোরে টাইলস লাগানো হলেও নামাজ পড়তে কষ্ট হচ্ছে। আল্লাহ জানেন কবে টাকার জোগাড় হয়ে নির্মাণকাজ শেষ হবে। আমরা ব্যাবসায়ীরাসহ গ্রামের খেটে-খাওয়া গরিব মানুষ। বড় অংকের টাকা দিয়ে সাহায্য করার সামর্থ্য আমাদের নেই। তাই নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায়ের সুযোগ হবে কিনা জানি না।

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ফারুক কবিরাজ বলেন, আমি কিছু সহযোগিতা করেছি। মসজিদটির নির্মাণকাজ সুন্দরভাবে শেষ করতে চেষ্টা করছি।।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, সহযোগিতার জন্য নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করলে আমরা তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো।

শীর্ষ সংবাদ | নয়ন

জে এম আলী নয়ন

জে এম আলী নয়ন

সাব এডিটর

সর্বমোট নিউজ: 6248

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…