ঢাকা–রায়পুর ও নোয়াখালী–লক্ষ্মীপুর সড়কপথে চলাচলকারী বিভিন্ন বাসে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঈদযাত্রাকে সামনে রেখে এ অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।
যাত্রীদের অভিযোগ, ৫০০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। ফলে প্রতি টিকিটে ২০০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাউন্টার থেকে টিকিট দেওয়ার সময় নির্ধারিত ভাড়ার কথা বলা হলেও পরে বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে।
সরেজমিনে কয়েকটি কাউন্টার ঘুরে যাত্রীদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ইকোনো পরিবহন, ঢাকা এক্সপ্রেস ও জোনাকি পরিবহন–এর কাউন্টারগুলোতে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেন একাধিক যাত্রী।
রায়পুরগামী এক যাত্রী বলেন, “নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট পাওয়া যায় না। বাড়তি টাকা দিলে টিকিট মেলে। বাধ্য হয়েই বেশি ভাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।”
লক্ষ্মীপুরগামী আরেক যাত্রী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “ঈদের সময় পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরতে বাড়তি খরচের চাপ নিতে হচ্ছে। বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই।”
সচেতন যাত্রীদের দাবি, প্রতিবছর ঈদ মৌসুম এলেই একটি অসাধু চক্র সক্রিয় হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে। প্রশাসনের তদারকি জোরদার না থাকায় এ প্রবণতা বাড়ছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাত্রীরা। তারা নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট বিক্রি নিশ্চিত ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।


