বিআরটিএ নিবন্ধন পেলে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইকে জীবিকা হবে লক্ষ্মীপুরের কয়েক লক্ষ শ্রমজীবী মানুষের। অন্যথায় এসব নিম্ন আয়ের মানুষ বিপথে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ‘রিকশা, ব্যাটারি রিকাশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের’ লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১লা এপ্রিল) রাতে জেলা শহরের ঐতিহ্য রেস্টুরেন্ট ৭ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সম্মেলনে অংগ্রহণের পূর্ব প্রস্তুতি সভায় এ মত প্রকাশ করেন তারা।
বক্তারা জানান, সারাদেশে ৫০ লক্ষ মানুষের আত্মকর্মসংস্থান এবং আড়াই কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত এ ব্যটারি চালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের সাথে। যা দেশের বেকরত্ব রোধে ভূমিকার রাখছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অযৌক্তিক সিদান্তে ইজিবাইক বন্ধ হলে, নিম্ন আয়ের মানুষের বেকারত্ব বেড়ে যাবে। এতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়াবে তারা। তাই শ্রমজীবী এসব মানুষের আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী দ্রুত বিআরটিএ কর্তৃক নিবন্ধনের আওতা ভুক্ত করা হোক।
নীতিমালা চূড়ান্ত ও কার্যকর করে ইজিবাইক, রিকশাসহ ব্যটারি চালিত যানবাহনের দ্রুত নিবন্ধন, রুট পারমিট ও লাইসেন্স প্রদান এবং মহাসড়ক ব্যতিত বিভিন্ন সড়কে চলাচলে হয়রানি বন্ধসহ ৭ দফা দাবীতে আগামী ৬ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বিআরটিএ বরাবর স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ইজিবাইক সংগাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি। উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঐক্যব্ধ লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটিও।
প্রস্তুতি সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন ‘রিকশা, ব্যাটারি রিকাশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ’ কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন। জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মিলন মণ্ডলের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্ল্যাহ খালেদের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উল্যাহ মাষ্টার, উপদেষ্ঠা লক্ষ্মীপুর ফারহানা অটো পার্স এর স্বত্ত্বাধিকারি মুরাদ, কমলনগর উপজেলা কমিটির সভাপতি ফিরোজ আলম, সংগঠনটির সদস্য ইজিবাইক ব্যবসায়ী মো. সুমনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে অংগ্রহণের প্রস্তুতি এ অনুষ্ঠানে জেলার ইজিবাইক ব্যবসায়ী, মালিক ও চালকগণ উপস্থিত ছিলেন।


