গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

নিয়োগ ছাড়াই লক্ষ্মীপুর সওজ অফিসে দাপ্তরিক কাজ করানোর অভিযোগ

শীর্ষ সংবাদ নিউজ ডেস্ক
মার্চ ৮, ২০২৩ ১:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!
লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ অফিসে নিয়োগ ছাড়াই দাপ্তরিক কাজ করানো হচ্ছে ইউসুফ সুজন নামে এক যুবককে দিয়ে। সে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়ি চালক নুরুল আমিন ড্রাইভারের ছেলে।
লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বেশ কয়েকবছর আগে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্ত মাস্টাররুলে কয়েকজনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য দরখাস্তে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু পরবর্তীতে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ওই সময় আরও কয়েকজনকে নিয়োগের দরখাস্তে স্বাক্ষর করলেও অন্য কাউকে অফিসের কোনো কাজে লাগানো হয়নি। তারা নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের কাছে গেলে বলে, আমাদের লোক লাগবে না, লোক লাগলে তোমাদের বিষয় আমাদের মাথায় আছে আশ্বাস দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে দেখে যায় লোক প্রয়োজন হোক বা না হোক গোপনীয়ভাবে নুরুল আমিন ড্রাইভারের আত্মীয়-স্বজনদের চাকরি দেওয়া হয়। এখন নুরুল আমিন ড্রাইভারের ছেলে ইউসুফ সুজনকে দিয়ে নিয়োগ ছাড়াই দাপ্তরিক কাজ করানো হচ্ছে। এতে অফিসিয়াল গোপনীয়তা লঙ্গন হচ্ছে।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ অফিস চলে নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়ি চালক নুরুল আমিন ড্রাইভারের কথা দিয়ে। বিগত দিনগুলোতে মাস্টাররুলে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সবাই এই নুরুল আমিনের আত্মীয়।
এদিকে এই প্রতিবেদকের কাছে ইউসুফ সুজনকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে এবং সে অফিসের চেয়ারে বসে আছে এমন ছবি এসেছে। এছাড়াও ইউসুফ সুজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের যাতায়াতের জন্য যে মোটর সাইকেলগুলো সরকার দিয়েছে সেগুলো নিয়ে ঘুরতে যায়। এসব ছবিও এই প্রতিবেদকের কাছে আছে। এতে সরকারি তেলের অপচয় হচ্ছে বলে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের বেশ কিছু কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন। তবে তারা নুরুল আমিন ড্রাইভারের ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারেন না।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে কল দিলে বলেন, এ অভিযোগগুলো মিথ্যা। সামনা-সামনি আসেন কথা বলি।
নোয়াখালী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে লিখিত কোনো অভিযোগ আসে নি। তাই এ বিষয় সম্পর্কে আমি অবগত না।
তিনি আরও বলেন, যারা অভিযোগ করেছে তাদেরকে বলেন আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করতে।
তবে ভুক্তভোগীরা বলছেন, পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বেশ কয়েকবার তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এদিকে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়ি চালক নুরুল আমিন ড্রাইভারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে প্রধান প্রকৌশলী বরাবর চিটি দেওয়া হয়েছে। মো. আসিফ নামের এক ব্যক্তি ঢাকার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কার্যালয়ে এই অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়ি চালক নুরুল আমিন ড্রাইভার ২০০৪ সালে এক লাখ ৫০ হাজার টাকায় সরকারি খরচে নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়ি নং- ১১-৩১২৩ অকটেন থেকে গ্যাস-এ রূপান্তর করেন। কিন্তু গত ১৮ বছরে এক ইউনিট গ্যাসও গাড়ির নামে ইস্যু করা হয় নাই। অথচ প্রতি মাসে গাড়িটিতে ৮০০-১০০০ লিটার অকটেন ইস্যু করা হয়েছে। যেখানে সরকারের সাশ্রয় হওয়ার কথা সেখানে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি করে নুরুল আমিন ড্রাইভার নিজে অকটেন বিক্রি করে বাকী টাকা হাতিয়ে নেন। এছাড়াও গাড়ি নং- ১১-৩১২৩ গাড়িটি প্রতি বছর বিভিন্ন সময়ে মেরামত দেখিয়ে প্রতি বছর তিন-চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। পরবর্তীতে ২০১৯ইং সালে আরেকটি লাক্সারি গাড়ি নং- ১১-১৬২০ নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য আনা হয়। নতুন গাড়িটিও গ্যাসে থাকা সত্ত্বেও প্রতি মাসে ৭০০-৮০০ লিটার অকটেন ইস্যু দেখানো হয়। নতুন গাড়িটিও ঠিক আগের মতো মেরামত খরচ দেখিয়ে সরকারী টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অচল অকার্যকর লক্ষ্মীপুর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি পদের প্রভাব খাটিয়ে লক্ষ্মীপুর আর.এইচ.ডি কোয়ার্টারে উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের বাসায় আজ প্রায় ১৩ বছর থাকেন। কিন্তু বাসাটি উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের নামে হওয়ায় উক্ত বাসার পানির বিল, গ্যাস বিল, বাসা ভাড়া কিছুই পরিশোধ করেন না। যা পরবর্তীতে অফিসে অফিসারদের মেনেজ করে অফিস থেকে পরিশোধ করা হবে। ইতিমধ্যে ঐ বাসার ভিতরে সরকারি সম্পদ (গাছ) কেটে নিজের বাসার ফার্নিচার তৈরি করে নিজে এবং নিজের মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে পাঠান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গাছ কেটে সরকারি বাউন্ডারি ওয়াল সব ভেঙ্গে ফেলে। যা পরবর্তীতে সরকারি রাজস্ব নষ্ট করে ঐ সকল দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। অফিসের সবাই এইসব বিষয়ে অবগত থাকা স্বত্ত্বেও নুরুল আমিন নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়ি চালক হওয়ায় ভয়ে মত প্রকাশ করতে পারেন না। নুরুল আমিনের যোগ সাজসে সাবেক ও বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্ত এবং অফিসারদের বিভিন্নভাবে ভূল বুঝিয়ে গত৩/৪ বছরে মাষ্টার রুল এবং এম আর ভিত্তিক তাহার পরিবার ও আত্মীয়স্বজন এবং তার পছন্দের লোকদের চাকুরি প্রদান করা হয়। তাহার মাধ্যমে কতিপয় ব্যক্তিগণ হলেন নুরুল আমিন ড্রাইভারের ভাইয়ের ছেলে ইসহাক রানা (চালক), ভাইয়ের ছেলে আল-আমিন (শ্রমিক), ভাই এর ছেলে জহিরুল ইসলাম (গার্ড), নিজ শালা জলিল (শ্রমিক) শুভাকাঙ্খি শরিফুল ইসলাম রাব্বি (এম.এল.এস.এস), আরিফুল ইসলাম (চালক)।
অভিযোগে বলা হয়, বর্তমানে তার ছেলের জন্য চাকুরির ব্যবস্থা করতে পায়তারা চালাচ্ছে। এই নিয়োগ সংক্রান্ত একটি আবেদন সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্তের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। এবং অফিসে সরকারী ড্রাইভার আছে তাদেরকে বাসায় বসিয়ে রেখে অবৈধ ভাবে আরো ৩ জন ড্রাইভার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সবাই নুরুল আমিনের পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্খি এছাড়াও নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত স্যারের গাড়ী গ্যাসে থাকা সত্বেও অফিস থেকে তেলের ভাউচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা এবং সাবেক অফিসারদের সাথে যোগ সাজস খাটিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ নামে বেনামে (কোটেশন এর মাধ্যমে) কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এবং কর্মচারীদের বদলি বানিজ্য করে থাকে।
নরুল আমিনের লক্ষ্মীপুর জেলার বাগবাড়ীতে প্লট, লাহারকান্দীতে বাড়ী, পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে প্লট, ঢাকায় ফ্লাট রয়েছে। ১৫ বছর নির্বাচন না হওয়ায় শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হওয়ায় তার প্রভাব ও অত্যাচারে অফিসে সবাই ভয়ে থাকে। কেউ স্বাভাবিক ভাবে মত প্রকাশও করতে পারে না। কেউ কিছু বললে তাদেরকে অন্যত্র বদলি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। অনেকে তাদের ছেলের চাকুরির জন্য আবেদন করা সত্বেও তাদের চাকুরি দিতে দেয়নি নুরুল আমিন (ড্রাইভার)। এছাড়াও দীর্ঘদিন থেকে কর্মচারীদের সামিতি লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। নুরুল আমিন ড্রাইভার, তার চাকরিতে নিয়মিত হওয়ার সময় বদলি করা হলে সে বিভিন্ন ভাবে প্রভাব খাটিয়ে লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগে একতরফা রাজত্ব করার জন্য তাহার বদলি বাতিল করেছে। এছাড়া নুরুল আমিন ড্রাইবার সরকারী যে বাসায় থাকে সেটি সেকশন অফিসারের বাসা হওয়ায় সেই বাসার পানির বিল এক লাখ ৪৩ হাজার বকেয়া, বাসা ভাড়া ও নিয়মিত পরিশোধ করে না, এবং তার শালা জলিল (এম.আর.ভিত্তিক শ্রমিক) সরকারী বাসা পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও নুরুল আমিনের প্রভাবের কারনে তাকে মান্দারী বাজারে একটি বিশাল বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যে বাসা সে অন্য বহিরাগতদের নিকট ভাড়া দিয়ে থাকেন যা সম্পূর্ণ অবৈধ, তার ভাই এর ছেলে ইসহাক রানা ও আল-আমিন (শ্রমিক) এই দুইজন এর নামে একটি বিশাল বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা সম্পূর্ণ অবৈধ। শ্রমিক তাহের R.H.D কোয়ার্টারে চাকুরী করতেন এবং কোয়ার্টারে পরিবারসহ বসবাস করতেন। হঠাৎ স্টোক করে মৃত্যুবরণ করেন। শ্রমিক তাহেরের বড় ছেলের জন্য চাকুরির জন্য গেলে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক চাকুরিতো দেয়নি উল্টো তাদেরকে কোয়ার্টার থেকে বাহির করে দেন। অথচ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী  মোজাম্মেল একের পর এক নুরুল আমিন পরিবারের এবং তার আত্বীয়-স্বজন (দুলা ভাই সহ) অন্য সদস্যদের চাকুরি প্রদান করেন। লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের অফিসের মেইন গেটে কর্তব্যরত অবস্থায় অফিস ডাকাতি করতে আসা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হাতে খুন হন নাইট গার্ড সেলিম। কিন্তু সেলিমের বড় ছেলের জন্য চাকুরীর জন্য গেলে তাকে চাকুরী দেন নি মোজাম্মেল ও নুরুল আমিন সিন্ডিকেট। নুরুল আমিন ড্রাইভারের নামে একাধিক দৈনিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলেও তাহার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, উক্ত অফিসের একাধিক পিয়ন থাকা সত্ত্বেও নির্বাহী প্রকৌশলী স্যারের বাসায় বাবুর্চীর কাজ করতো আশরাফুর রহমান যাদু। তাকে নির্বাহী প্রকৌশলী স্যারের অফিসে পিয়ন হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় নুরুল আমিনের মাধ্যমে। সেই সুবাদে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নিউজ নুরুল আমিন ও তার শুবাকাঙ্খিদের নিকট জানিয়ে দেয়। এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর পিয়ন হওয়ায় বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র টাকার বিনিময়ে স্যারকে দিয়ে স্বাক্ষর করে নেয়। এই সব নিয়োগ অবৈধ যাহা কোন ভাবেই গ্রহণ যোগ্য নয়, নুরুল আমিন (ড্রাইভার) নির্বাহী প্রকৌশলী, লক্ষ্মীপুর মহোদয়কে বিভন্ন ভাবে বুঝিয়ে নিয়োগ প্রদান করেছে। তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এই নিয়োগ করা হয়েছে, সাবেক ও বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম স্যার ও সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ্রত দত্ত স্যার সহ অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা এসব কমর্মকান্ডে জড়িত রয়েছেন। যারা তাদের ছেলের চাকুরির জন্য মোটা অংকের টাকা দিতে পারেনি তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সড়ক ও জনপদ বিবাগ লক্ষ্মীপুরে কানাঘুষা চলছে। নুরুল আমিন (ড্রাইভার) ও নির্বাহী প্রকৌশলীর মাধ্যমে যে সকল নিয়োগ করা হয়েছে তাহা নিয়ম বহির্ভূত এবং অযোগ্য।
অতএব এমতাবস্থায় উপরোক্ত বিষয় বিবেচনা করে তাহাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মহোদয়ের মর্জি কামনা করছি।
শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…