গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

অনুম‌তি না নিয়েই দুই শিক্ষক নেদারল্যান্ড, অবশেষে শোকজ

রায়পুর, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ
অক্টোবর ২৪, ২০২৩ ২:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি স্কুলের দুই শিক্ষক ছুটি না নিয়ে বিদেশ (নেদারল্যান্ড) চলে গেছেন। অফিসিয়াল ছুটি না নেয়ায় দুই শিক্ষককে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার নির্দেশনা (শোকজ) দিয়েছেন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা।

দুই শিক্ষক হলেন- উপজেলায় উত্তর চরবংশি ইউনিয়ন খাশের হাট বাজার (ক্রমিক নং-২১, বিদ্যালয় গ্রেট -(এ), EMIS কোড-(১৩৭০৭), চরবংশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকরাম হোসেন ও প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তফা কামাল। তারা দুই মাসের চিকিৎসা ছুটিতে যান এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কোন NOC না নিয়ে বিদেশে চাকুরির উদ্দেশ্য চলে যান।

আরও পড়ুন—    ব্রাসেলসের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

চরবংশী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাযায়, স্কুলের ১১ জন শিক্ষকদের মধ্যে ৩ জনই ছুটিতে রয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবিনা নামের একজন সহকারী শিক্ষক ৬ জুন থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। সহকারী শিক্ষক ইকরাম ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত এবং প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামালও ৫ অক্টোবর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের মধ্যে চিকিৎসা জনিত ছুটিতে থাকবেন বলে দরখাস্তে লেখা রয়েছে।।

কয়েকজন শিক্ষক জানান, স্কুলটি ১৯৩৬ সালের পর টিনের ও ১৯৭৩ সালে আধাপাকা হলেও ২০০৪ সালে একতলা ভবন কর দেন সরকার।। উপজেলার মধ্যে (এ) গ্রেডের স্কুলটিতে ৪০৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে (বালক ১৭৫ ও বালিকা ২২৯ জন)। ৩ জন শিক্ষক ছুটিতে থাকায় উপস্থিতি শিক্ষকদের উপর পড়েছে অতিরিক্ত মানষিক চাপ। নিজেদের নির্ধারিত ক্লাস নেয়ার পরেও নিতে হচ্ছে ছুটিতে থাকা তিন শিক্ষকদের পক্সি ক্লাশ।

স্কুলের শিক্ষকদের হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া দেখানো যাবেনা বলে সাংবাদিকদের তথ্য নিতে শিক্ষা অফিসের অনুমতি লাগবে বলে জানান সহকারি শিক্ষক মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক ইকরাম ও প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল চিকিৎসাজনিত ছুটিতে আছেন। এখন কোথায় আছেন তা আমাদের জানা নেই।’

আরও পড়ুন—    আওয়ামী লীগ সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে আছেঃ প্রধানমন্ত্রী

তবে স্থানীয় সূত্রে বলছে, ওই দুই শিক্ষক বিদেশে মিথ্যা চিকিৎসা ছুটি নিয়ে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সহকারি শিক্ষক মাহমুদুর রহমান মুরাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সহযোগিতা রয়েছে।

সহকারী শিক্ষক ইকরাম হোসেনের বাবা বলেন, ‘ইকরাম চিকিৎসার জন্য নেদারল্যান্ডে গিয়েছেন। আমার ছোট ছেলে ডাক্তার, সে এবং আমার মেয়ে নেদারল্যান্ডে বসবাস করেন। ইকরাম তাদের কাছে চিকিৎসার জন্য গেছেন আবার সে তার কর্মস্থলে চলে আসবেন।’

প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামালের স্ত্রী রোকসানা বলেন, ‘আমার স্বামী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মোস্তফা কামালের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে ফোন দেওয়া হলে তার ব্যবহৃত সিমটি বন্ধ পাওয়া যায়। মেডিকেলের কত নাম্বার বেডে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাও জানেন না তার স্ত্রী।’

তবে তার এক প্রতিবেশী জানান, মোস্তাফা কামাল কয়েকদিন পূর্বে নেদারল্যান্ডে চাকুরির উদ্দেশ্য গেছেন। এর আগেও মোস্তাফা কামাল ৩ মাস নেদারল্যান্ডে গিয়ে চাকুরী করে আবার দেশে এসে স্কুলের চাকুরী করেন।এখন আবারও চলে গেছেন।

আরও পড়ুন—    রিজার্ভ নামল ২০ বিলিয়ন ডলারে

স্থানীয়দের মধ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন বলেন, দু’জন শিক্ষক দেশের মধ্যে চিকিৎসা ছুটির নামে কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে চাকুরির উদ্দেশ্য বিদেশে গিয়েছেন। এ ব্যাপারে সহকারি শিক্ষক মাহমুদুর রহমান মুরাদ সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলেই হয়তো সহকারি শিক্ষক মাহমুদুর রহমান মুরাদ শিক্ষকদের হাজিরা রেজিস্ট্রার খাতা দেখাতে বাঁধা দিয়েছেন। কারণ যেদিন তারা বিদেশে গিয়েছে সেদিনও সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান এলাকায় ছিলেন না।’

স্থানীয় সূত্রে আরও জানায়, মাহমুদুর রহমান মুরাদ ঠিক মতো নিয়মিত ক্লাস করেন না। তিনি প্রতিদিন স্কুলে এসে হাজিরা দিয়ে তার ব্যবসায়ীক কাজে চলে যান। উর্ধতন কোন কর্মকর্তা বা কোন সাংবাদিক আসলে তাকে ফোন দিলে কিছু সময় পরে তিনি এসে যেকোনো একটা অজুহাত দেখান।

দু’জন শিক্ষক দেশের বাইরে যাওয়ার বিষয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি জানি তারা চিকিৎসাজনিত ছুটিতে আছেন। কিন্তু কোথায় আছেন তা জানা নেই।’

আরও পড়ুন—    আজ ও আগামী দুই দিনের আবহাওয়া যেমন থাকবে

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও চরবংশী ইউনিয়ন ক্লাস্টার মোঃ টিপু সুলতান বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক ইকরাম ও প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল তারা দু’জন দেশের মধ্যে ৬০ কর্মদিবসের জন্য চিকিৎসাজনিত ছুটিতে রয়েছে। তাদের বিদেশে যাওয়ার অনুমতি নেই। প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল চাকুরির শুরুতেও অনুমতি ছাড়া তিন মাস অনুপস্থিত ছিলেন। তিন মাসের অনুপস্থিত থাকায় তার উপর দুই বছরের ইনক্রিমেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই শাস্তি এখনো চলমান। এরই মধ্যে সে বিদেশে গিয়েছে সেটা জানা নেই। বিষয়টি জানতে পেরে আবারও শোকজ করা হয়েছে। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon ad advertis বিজ্ঞাপন এ্যাড অ্যাডভার্টাইজ

জে এম আলী নয়ন

জে এম আলী নয়ন

সাব এডিটর

সর্বমোট নিউজ: 6251

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…