গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

অর্থনীতির গতি ফেরাতে আশায় বুক বাঁধছে দুই পাড়ের মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই ১৫, ২০২৫ ২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। বগুড়ার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ নৌরুটে শিগগিরই আবার চালু হচ্ছে সী-ট্রাক সার্ভিস। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা (জি) সম্প্রতি রুটটি পরিদর্শন করেছেন।

গত ১২ জুলাই সারিয়াকান্দি ও মাদারগঞ্জ ঘাট এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় তিনি জানান, নৌরুটটির হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ ও সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে খুব শিগগির প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। এতে আবারও সরাসরি নদী পথে পারাপার সম্ভব হবে, যা এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।

এক সময় যমুনার এই নৌরুট দিয়ে পশ্চিম ও পূর্ব অঞ্চলের হাজারো মানুষ পারাপার হতো। বগুড়া, জয়পুরহাট, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের জেলা এবং জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার মানুষের জন্য এটি ছিল জীবনরেখা। ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ নানা প্রয়োজনে নদী পার হওয়াই ছিল প্রধান ভরসা।

২০১৯ সালে নানা সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে অবশেষে ২০২১ সালের ১২ আগস্ট তৎকালীন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এই নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে সী-ট্রাক সার্ভিস চালু করেন। “শহীদ আবদুর রহমান শেরনিয়াবাদ” নামের একটি আধুনিক সী-ট্রাক চালু হওয়ার পর দুই পাড়ের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। কিন্তু কয়েক মাস চলার পর কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে সেই সী-ট্রাক সরিয়ে নেওয়া হয়, বন্ধ হয়ে যায় সার্ভিস।

বর্তমানে প্রতিদিন শত শত যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ১৫-১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ উত্তাল যমুনা নদী ছোট নৌকায় পার হন। শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ, অসুস্থ রোগী—সবাই এই কষ্টের পথ পাড়ি দিতে বাধ্য। এই রুটের মাধ্যমে বগুড়া থেকে ঢাকার দূরত্ব কমে যেত প্রায় ৭০ কিলোমিটার। ফলে সময় ও খরচ—দুটিই বাঁচত।

বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, এই রুটে পূর্ণাঙ্গ ফেরি বা সী-ট্রাক সার্ভিস চালু হলে কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্য দ্রুত শহরে পাঠাতে পারতেন। তৈরি হতো নৌবন্দরকেন্দ্রিক শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য। গড়ে উঠত কর্মসংস্থান, গতিশীল হতো স্থানীয় অর্থনীতি।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চিঠি পাঠান। এরপরই বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের সরেজমিন পরিদর্শন হয়।

জেলা প্রশাসন এবং বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা আশাবাদী—এই রুটে ফেরি বা সী-ট্রাক চালু হলে শুধু যাত্রী নয়, পণ্য পরিবহনেও এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

দুই পাড়ের মানুষ এখন ফের সারিয়াকান্দি-মাদারগঞ্জ নৌরুট সচল হওয়ার খবরে আশায় বুক বাঁধছেন। তাদের আশা, এ বার আর স্থগিত হবে না, নয় কোনো অজুহাতের বলি—এই নৌরুটই হবে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সেতু।

শীর্ষ সংবাদ | নয়ন

জে এম আলী নয়ন

জে এম আলী নয়ন

সাব এডিটর

সর্বমোট নিউজ: 6248

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…