গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

একজন ইমান আলীর গল্প

Link Copied!

হাসোজ্জল ইমান আলী চৌধুরী, বয়স ৬০-৬৫ হবে। ২০ বছর ধরে রাজধানীর উত্তর রায়েরবাগ এলাকায় অলি-গলিতে ভ্যান-গাড়ি করে বাদাম বিক্রি করে সংসার চালান। তার কাছ থেকে কেউ ১০টাকার, কেউবা ২০টার বাদাম কিনেন। যার ফলে প্রতিদিন ৪’শ থেকে ৬’শ টাকা তার আয় হয়। শীতকালে ১ হাজার থেকে ১২’শ টাকা আয় হতো। গরম পড়লে বাদাম বিক্রি কমে যায়। বর্তমান সময় লাগামহীন ভাবে নিত্যপণ্য দাম বাড়াতে অনেকটাই দুশ্চিন্তায় আছেন ইমান আলী চৌধুরী।

বুধবার (১৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী-রায়েরবাগ ‘বাইতুত্ তাকওয়া জামে মসজিদের সামনে বাদাম বিক্রেতা ইমান আলীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় আমাদের প্রতিবেদক মো. রুবেল হোসেনের সঙ্গে।

ইমান আলী চৌধুরী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার সাজেকপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রাম পশ্চিম হাটি বাড়ীর মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে। তার দুই ছেলে দুই মেয়ে। মেয়ে আম্বিয়া ও জান্নাতের বিয়ে হয়েছে। বড় ছেলে তাওহীদ বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকেন। ছোট ছেলে তুহিন ও স্ত্রীকে নিয়ে বর্তমান তার সংসার।

পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে বাড়ি যেতে হয়, আর বছরের বেশি সময় ধরে থাকেন ধোলাই পাড়ে একটি ভাড়া বাসায়। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১২-১টা পর্যন্ত অলি-গলিতে বাদাম বিক্রি করেন। মাসে ২-৩ বার বিকাশের মাধ্যমে গ্রামের বাড়ীতে টাকা পাঠান। এছাড়ও তার এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে ১ হাজারে ২০টাকা কমিশন দিয়ে সরাসরি বাড়ীতে টাকা পাঠান।

আক্ষেপ প্রকাশ করে ইমান আলী চৌধুরী শীর্ষ সংবাদকে জানান, ২০ বছর ধরে এ শহরের অলি-গলিতে বাদাম বিক্রি করে সংসার চালিয়ে আসছি। দুই ছেলে,দুই মেয়ে নিয়ে তার সাজানো সংসার। মেয়ে আম্বিয়া ও জান্নাতকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার স্বামীদের সংসারে অনেক ভালো আছে। এতে আমার সবচেয়ে বেশি খুশি। আল্লাহর কাছে এ-র বেশি কিছু ছাড়ার নেই। দুঃখ হয় বড়-ছেলে তাওহীদ বিয়ে করার পরপরই আলাদা সংসার বাঁধছে। ছোট-ছেলে তুহিন ও স্ত্রীকে নিয়ে এখন আমার সংসার।

তিনি আরও জানান, বর্তমান সময় লাগামহীনভাবে দ্রব্যমূল্য দাম বাড়ার কারণে এখন টানাপোড়েন সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হয়। চাল-ডাল কিনলে তৈল-লবন কিনতে হিমশিম খেতে হয়। মাছ ও তরিতরকারি কথা বাদেই দিলাম। আমাদের জীবনের গল্পের চাকা এমনই।

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন