যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদ্যাপিত হয়েছে। গত ২৬ মার্চ নিউ ইয়র্কের একটি স্থানীয় হোটেলে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রায় ১৫০টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, জাতিসংঘ সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে লালন করে আসছে। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের শীর্ষ অবস্থান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ নানা প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে জাতিসংঘ সনদের নীতিমালা মেনে উল্লেখযোগ্য আর্থসামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্নই নয়, বরং এটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।
এর আগে সকালে মিশনের অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় এবং দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।


