একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা : মুজিববর্ষে দেশের গৃহহীন সব মানুষকে বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে শিক্ষার্থী, ফেলো এবং গবেষকদের মাঝে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের সিদ্ধান্ত, দেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। ভূমিহীন, গৃহহীনদের আমরা ঘর করে দিবো এবং সেটা আমরা দিচ্ছি। সরকারের এই প্রকল্প খুব সফলভাবে কাজটা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।

দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার সঙ্গে সঙ্গে হাইটেক সিটি, হাইটেক পার্ক ও সফটওয়্যার প্রযুক্তি পার্ক তৈরি করছি, যাতে আমরা দক্ষজনশক্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী হতে পারি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে ৪৯০টি উপজেলায় এবং ৯০টি ইউনিয়নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাব গঠন করা হয়েছে।

সরকার প্রধান আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এখানে ভবিষ্যতে প্রায় ২৪শ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

গবেষকদের মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে আমরা যে ফেলোশিপ দিচ্ছি বা অর্থ বরাদ্দ করেছি, এটা জনগণেরই অর্থ। কাজেই আপনাদের গবেষণা যেনো জনগণের কল্যাণে লাগে সেইদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে গবেষণা কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

প্রতিটি শিল্প-কারখানার গবেষণা ও উন্নয়ন শাখাকে কার্যকারী ও শক্তিশালী করার নির্দেশনা দিয়ে তিনি আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। সেগুলো প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু সেখানেও গবেষণার একান্ত প্রয়োজন রয়েছে। কারণ গবেষণার মধ্যে দিয়ে আমরা ব্যয় কমাতে পারি, উৎপাদনের উৎকর্ষতা বাড়াতে পারি, পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারি।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, করোনাভাইরাস যখন পারে নাই, তখন বাংলাদেশের অগ্রগতি আর কেউ থামাতে পারবে না, এটাই আমার বিশ্বাস। সবার সহযোগিতায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বে একটি মর্যাদা পেয়েছি। এখন আর বাংলাদেশকে কেউ অবহেলার চোখে দেখতে পারবে না।

Print Friendly, PDF & Email