লক্ষ্মীপুরে মহান শহীদ দিবসে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতায় বিজয়ী নাফি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করে বিজয়ী হয়েছেন শিশু শিক্ষার্থী মিসকাতুল হাছিব নাফি। সে শারীরিক প্রতিবন্ধি। পরে (২১ ফেব্রুয়ারী) রবিবার বিকালে সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণে অনুষ্ঠানে তার হাতে  বিজয়ী পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সফিউজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিস সুপার এএইচ এম কামরুজ্জামান, জেলা সিভিল সার্জন ডঃ মো আবদুর গাফ্ফার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) মো. শাহিদুর ইসলাম, সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মাইন উদ্দিন পাঠান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান।

শিশু শিক্ষার্থী মিসকাতুল হাছিব নাফি লক্ষ্মীপুর হলি গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

 

প্রসঙ্গত, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রবিবার সকালে লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চিত্রাংকন, সুন্দর হাতের লেখা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতার আয়োজন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা শিশু একাডেমী । প্রতিযোগীতায় ‘ক’ গ্রুপ থেকে ‘একুশ মানে’ কবিতা আবৃত্তি করে ৩য় স্থান অর্জন করে শিশু শিক্ষার্থী মিসকাতুল হাছিব নাফি।

শিশু শিক্ষার্থী মিসকাতুল হাছিব নাফি লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সাইফুল্যাহ খালেদ ও নাহিদা সুলতার এক মাত্র ছেলে। শারীরিক প্রতিবন্দ্বিতা হওয়ায় সে স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারে না। একুশে ফেব্রুয়ারী তথা শহীদ দিবস, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে  জানার আগ্রহ তার অনেক আগের। মা-বাবা থেকেই শহীদ দিবস, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে তার প্রথম জানান। তাছাড়া বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত গল্প-কবিতার  বই পড়ায় তার আগ্রহ বেশি। সেই জানা থেকেই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণের উৎসাহ পায় নাফি।

এদিকে সন্তানের এমন সাফলতায় আনন্দিত নাফির বাবা ও মা। সন্তানের শারীরিক সুস্থতা ও আগামী শিক্ষা জীবনে সফলতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন তাঁরা।

Print Friendly, PDF & Email