অক্টোবরে শ্রীলঙ্কা সফরে দলের সঙ্গে যাচ্ছেন সাকিব

ঢাকা : করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সাকিব আল হাসানের জন্য শাপেবরই হয়েছে। নিষিদ্ধ থাকলেও বাংলাদেশের খুব বেশি ম্যাচও মিস করতে হয়নি। এশিয়া কাপ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও পিছিয়ে যাওয়ায় মিস করতে হচ্ছে না এ দুটি আসরও। তবে ঘরে থাকার সময়ে বাংলাদেশের অন্য ক্রিকেটাররা নিজেদের ফিট রাখার চেষ্টায় নিবিষ্ট থাকলেও এ অলরাউন্ডার সে রকম কিছুতে ব্যস্ত ছিলেন বলে শোনা যায়নি। বরং যুক্তরাষ্ট্রের মেডিসনে পরিবারের সান্নিধ্যে পরমানন্দেই কাটছে তাঁর সময়। এই সময়ে খাওয়াদাওয়ার বিধি-নিষেধের তোয়াক্কাও তেমন একটা করেননি বলে নিজেই জানিয়েছিলেন। তবে একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ যেমন ফুরিয়ে যাচ্ছে, তেমনি ঘনিয়ে আসছে ক্রিকেটে ফেরার সময়ও। এবার যে ফেরার প্রস্তুতিও শুরু করতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিকেএসপির সাকিবের ট্রেইনার নজমুল আবেদীন। তিনি জানান বিকেএসপিতে সাকিব পুরো দমে ট্রেনিং শুরু করবেন।

তিনি জানান, চলতি মাসে সাকিব ট্রেনিং ক্যাম্পে যোগ দেবেন। ও বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে আমেরিকায় আছে। সে এলে তাকে পুরোদমে প্রস্তুত করতে বিকেএসপি সব ধরনের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।

নাজমুল আবেদীন আশাপ্রকাশ করেন, যদি বিসিবির পক্ষ থেকে কোনো অমত না থাকলে তাহলে আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে শ্রীলঙ্কা সফরে দলের সঙ্গে সাকিব।

উল্লেখ্য, মো. সালাউদ্দিন ও নাজমুল আবেদীন দুজনেই সাকিবের অনুপ্রেরণার উৎস। বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় সাকিব তাদের দুজনের কাছ থেকেই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।

এদিকে করোনাকালীনই তাঁর ঘর আলো করেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান ইরাম। তাঁকে রাখা ও বড় কন্যা আলাইনার সঙ্গে খেলায় মেতে ছিলেন সাকিব। তবে বিকেএসপিতে নেমে সাকিব চান এতদিন তার শরীরে জমা বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ঝরঝরে হতে। ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর সঙ্গে এক অনলাইন আড্ডায় ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে ধারাভাষ্যকার দীপ দাশ গুপ্তকে সাকিব জানিয়েছেন তেমনটিই।

জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেলেও এর মধ্যে আছে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাও। কাজেই আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ফিরতেও আর কোনো বাধা নেই তাঁর। এর আগে প্রায় মাস তিনেক সময়ই তাঁর নিজেকে পুরো ফিট অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট বলে মনে করেন সাকিব।

Print Friendly, PDF & Email