কোরবানির পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের ১০ পরামর্শ ড. আব্দুল্লাহ‍‍`র

ঢাকা : দেশে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ মহামারির প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে। এর মধ্যেই এগিয়ে আসছে ঈদ। আসন্ন ঈদে পশুর হাট থেকে করোনার বিস্তার বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন মহল থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার (৪ জুলাই) বিষয়টি নিয়ে নিজের মতামত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ।

দেশের একটি শীর্ষ দৈনিকে লেখা মতামতে কোরবানির পশুর হাট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্তৃপক্ষ এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।  পাঠকের জন্য তাঁর গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শগুলো তুলে ধরা হলো:

১. শুধু ঝুঁকির কারণে পশুর হাট বন্ধ করা যাবে না। ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

২. যত্রতত্র নয়, বড় ও খোলা জায়গায় হাট বসাতে হবে। বিক্রেতা ও ক্রেতাদের শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৩. যত কম সম্ভব মানুষ নিয়ে হাটে আসতে হবে।

৪. একাধিক হাট না ঘুরে একটি হাট ঘুরেই পশু কিনে ফেলতে হবে।

৫. যত দ্রুত সম্ভব পশু কিনে বাড়ি ফিরতে হবে।

৬. ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই আবশ্যিকভাবে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, মাথার ক্যাপ ও সম্ভব হলে গাউন পরতে হবে।

৭. একাধিক পশু কোরবানি না দিয়ে এবার একটা কোরবানি দিন। বাকিগুলোর টাকা গ্রামে ফেরা নিরুপায় কর্মহীন ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করতে পারেন।

৮. অসুস্থ পশু হাটে আনা যাবে না। পশু অসুস্থ মনে হলে ক্রেতাদের তার পাশে যাওয়া যাবে না। গ্লাভস পরে ছাড়া পশুর গায়ে হাত দেয়া যাবে না।

৯. হাটে পর্যাপ্ত স্যানিটাইজার বা সাবান-পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। ক্রেতা-বিক্রেতারা হাত পরিষ্কার রাখতে পারেন।

১০. এবারের ঈদে যে যেখানে আছেন, সেখান থেকেই উদ্‌যাপন করুন। শহর ছেড়ে গ্রামে যাবেন না। আগের ঈদে দলে দলে মানুষ ঢাকা ছাড়ার কারণে গ্রামের অবস্থা খারাপ হয়েছে। এবারও যাওয়া-আসা করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

Print Friendly, PDF & Email