এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি : অনুসন্ধানে দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, মাস্ক বা পিপিইর মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্য কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তার সাথে সম্পৃক্ত। তাই এসব অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দোষীদের আইন-আমলে নিয়ে আসতে কমিশন আইনি দায়িত্ব পালন করবে। যাদের সম্পৃক্তা পাওয়া যাবে তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গণমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় দুদক চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।

দুদক এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি-প্রতারণা বা জাল জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেটি পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানের জন্য একজন পরিচালকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে। দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী-এর নেতৃত্বে এ টিমের অন্য সদস্যরা হলেন, উপপরিচালক মো. নূরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মো. সাঈদুজ্জামান নন্দন ও আতাউর রহমান।

গত ১০ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এক জরুরি বৈঠকে করোনাকালে এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতারণা বা জাল জালিয়াতির অভিযোগটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

Print Friendly, PDF & Email