করোনা আক্রান্তের শীর্ষ ২০-এ প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিশ্বে দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষ ২০ এ প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। করোনা সংক্রমণ নিয়ে তথ্য প্রকাশকারী ওয়ার্ল্ড মিটার শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ২১তম অবস্থানে ছিল। আর বেলজিয়াম ছিল ২০ তম অবস্থানে। শুক্রবার (৫ জুন) বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ হাজার ৮২৮ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৬০ হাজার ৩৯১ জনে। একই সময় আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮১১ জনে। এক দিন আগে দেশটিতে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ছিল ৫৭ হাজার ৫৬৩ জন। গত ৩১ মে থেকে বাংলাদেশে করোনায় প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা দুই হাজারের ঊর্ধ্বে ।

ওয়ার্ল্ডোমিটারে করোনাভাইরাস সংক্রমিত দেশের তালিকায় এক নম্বরে আছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আমেরিকায় মৃত্যুহার কমেছে। শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় থাকা মেক্সিকোতে নতুন করে ৮১৬ জন, পাকিস্তানে ৬৮ জন ও রাশিয়ায় মারা গেছে ১৪৪ জন।

বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা গত ৮ মার্চ জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে তিন জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই জন পুরুষ, অন্যজন নারী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এই তিন ব্যক্তির মধ্যে দুই জন ইতালি থেকে দেশে ফিরেছেন।

আইইডিসিআর পরিচালক আরও জানান, ইতালি থেকে আসা দু’জন ভিন্ন পরিবারের সদস্য। তাদের একজন বাসায় আসার পর তার মাধ্যমে একজন নারীও আক্রান্ত হয়েছেন।

দেশে করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগী মারা যায় ঠিক ১০ দিন পর (১৮ মার্চ)। তার বয়স ছিল ৭০ বছরের বেশি। তিনি বিদেশ ফেরত নন, তবে বিদেশ থেকে আসা এক আত্মীয়ের মাধ্যমে তিনি সংক্রমিত হয়েছিলেন বলে জানায় আইইডিসিআর। সংক্রমণের পর তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এছাড়া তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। একপর্যায়ে জীবাণুটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি (হেলথ ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

Print Friendly, PDF & Email