লক্ষ্মীপুরে সুস্থ হয়েছেন আরেক করোনা রোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জেলার রামগঞ্জে সর্ব প্রথম যে ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, তিনি এখন সুস্থ হয়েছেন। তাঁর নাম খোরশেদ আলম। বয়স ৩২ বছর। পেশায় তিনি একজন গার্মেন্টস শ্রমিক। বাড়ি উপজেলার লামচর ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামে।

তবে করোনায় আক্রান্ত তাঁর ২০ মাস বয়সী সন্তানসহ শ্বশুর পরিবারের আরও ৭ সদস্য এখনো সুস্থ হয়নি।

শুক্রবার (১ মে) রাত ৯টার দিকে খোরশেদের সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। তাকে ঢাকার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিলো।

সুস্থ হয়ে তিনি ঢাকার এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করেছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক শিল্পে কাজ করতেন খোরশেদ আলম। কারখানা বন্ধ থাকায় গত ৬ এপ্রিল তিনি গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে পাশ্ববর্তী কাশিমনগর গ্রামের শ্বশুর বাড়িতে যান তিনি।

শারিরীক অসুস্থতা দেখা দিলে চিকিৎসার জন্য রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানে করোনা সন্দেহে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। চট্রগ্রামের ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি-তে প্রেরণকৃত নমুনার ফলাফল পজিটিভ আসে ১১ এপ্রিল।

পরদিন তাকে ঢাকার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসা নেন। শুক্রবার (০১ মে) তিনি সুস্থ হয়ে বের হন।

তবে খোরশেদের সংস্পর্শে আসা তাঁর শিশুসহ পরিবারের আরও সাত সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক এবং আরও তিন স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হন তাঁর সংস্পর্শে এসে।

বর্তমানে তাদের ওই হাসপাতালের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জেলা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে, জেলার দ্বিতীয় করোনা আক্রান্ত রোগীও সুস্থ হয়েছেন। তার বাড়ি রামগতি উপজেলার পৌরসভার সবুজগ্রামে। নারায়ণগঞ্জের তাবলিগ জামায়াত থেকে এসে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) তাঁর সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা প্রশাসন।

Print Friendly, PDF & Email