মেকআপ শিল্পীদের পাশে নিপুণ

চলচ্চিত্রে নায়ক-নায়িকার রূপে মুগ্ধ হন সাধারণ দর্শক। মেকআপ শিল্পীর তুলির ছোঁয়ায় ঝলমলে হয় শিল্পীর মুখমণ্ডল। প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রে একজন মেকআপ শিল্পী ও তাঁর সহযোগী কাজ করেন তিন-চার জন। পারিশ্রমিক হিসেবে প্রতিদিন পান দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। সহকারীরা পান এক হাজার টাকা। মাসে আট-দশ দিন কাজ করলেই চালিয়ে নিতে পারেন সংসার।

দীর্ঘদিন ধরেই চলচ্চিত্রে মন্দাভাব। কাজ কমেছে প্রায় ৮০ শতাংশ। যে কারণে কমেছে মেকআপ শিল্পীর সংখ্যাও। একসময় ১২০ জন মেকআপ শিল্পী কাজ করতেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পে। এর মধ্যে বর্তমানে কাজ করছেন ৫০ জনের মতো। করোনাভাইরাসের প্রকোপে বন্ধ রয়েছে শুটিং। যে কারণে আর্থিক সমস্যায় রয়েছেন ৩৫ জনের মতো মেকআপ শিল্পী।

এই শিল্পীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। আজ চলচ্চিত্র রূপসজ্জাকর সমিতির নেতাদের হাতে একটি চেক তুলে দেন তিনি। এতে করে ২০ জন মেকআপ শিল্পী সপ্তাহখানেক জীবন বাঁচানোর মতো খাবার কিনতে পারেবেন বলে জানিয়েছেন সমিতির সভাপতি শামসুল ইসলাম।

শামসুল ইসলাম বলেন, ‘নিপুণ আপাকে অনেক ধন্যবাদ, তিনি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আজ তিনি আমাদের হাতে একটি চেক তুলে দিয়েছেন। যে টাকা দিয়েছেন, তা দিয়ে আমাদের ২০ জন শিল্পী সপ্তাহখানেক খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবেন। বর্তমান সময়ে বিশ্বের যে অবস্থা, এমন সময় কারো হাতে কোনো কাজ নেই। কীভাবে আমাদের মেকআপ শিল্পীরা বেঁচে থাকবেন, তা বলতে পারছি না। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

নায়িকা নিপুণ বলেন, ‘আসলে এঁরা আমাদের শিল্পীদের কাছের মানুষ। যে কারণে চেষ্টা করেছি তাঁদের জন্য কিছু করতে। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আপনার কাছের মানুষটির পাশে দাঁড়ান। তাতে আমাদের দেশে অন্তত না খেয়ে কোনো মানুষ মারা যাবে না।’

Print Friendly, PDF & Email