বিয়ে করে অর্থদণ্ডে প্রবাসী: হোম কোয়ারেন্টিনে নব দম্পতি

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই প্রবাসীর বাড়ি গিয়ে তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে, নব দম্পতিকে হোম কোয়ারেন্টিনে আদেশ প্রদান করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুর সদর উপজেলার কল্যাণপুর ইউনিয়নে। শুক্রবার (২০শে মার্চ) বিকেলে, এই দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা।এদিকে, কচুয়া উপজেলায় আরও দুই প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনের নির্দেশ অমান্য করায় ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় ৩ জনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা জানান, গত ১১ই মার্চ ওমান থেকে বাড়ি ফেরেন কল্যাণপুর ইউনিয়নের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. মিলন। তিনি বিদেশ থেকে এসে কাউকে কোনো তথ্য না দিয়ে বাড়িতে অবস্থান করেন। এরপর, আজ শুক্রবার দুপুরে গোপনে পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক মেয়েকে বিয়ে করে বাড়ি নিয়ে আসে। খবর পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময়, সরকারি আদেশ অমান্য করে হোম কোয়ারেন্টিনে না থেকে যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়ানো ও বিয়ে করার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে নব দম্পতিসহ তাদের আত্মীয়দের বাধ্যতামূলক অন্ততপক্ষে ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য আদেশ প্রদান করা হয়।অন্যদিকে, জেলার কচুয়া উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টিন অমান্য করায় আরও দুই প্রবাসীকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। শুক্রবার দুপুরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড প্রদান করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপায়ন দাস শুভ।কচুয়া উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের মালয়েশিয়া ফেরত প্রবাসী গৌতম দাসকে ২০ হাজার টাকা এবং কাদলা গ্রামের সৌদিআরব প্রাবাসী মো. নজরুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে গৌতম গতকাল বৃহস্পতিবার এবং নজরুল এক সপ্তাহ আগে তাদের নিজ গ্রামে ফেরেন।

Print Friendly, PDF & Email