করোনাভাইরাস: ছোঁয়া বারণ, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ নয়!

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ত্রাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, নার্সিং হোমে থাকা রোগীদের সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আনা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের আতঙ্কে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনকার জীবনেও এসেছে বিরাট পরিবর্তন। তেমনই পরিবর্তন এসেছে কার্লি বয়েড নামে এক যুবতীর জীবনেও। চলতি সপ্তাহে বাগদান সেরেছেন তিনি। তারপরই তার মনে হয়েছে নিজের দাদার সঙ্গে এই আনন্দের খবর ভাগ করে নেবেন তিনি।

কার্লির দাদা ৮৭ বছরের শেলটন মাহালা প্রিমিয়ার লিভিং অ্যান্ড রিহ্যাব সেন্টারে থাকেন। নর্থ ক্যারোলিনার এই রিহ্যাব সেন্টারে কারও ঢোকা নিষেধ। কিন্তু নাতনির মন মানছিল না। তিনি চলে গিয়েছিলেন সেখানে। তার কথায়, ‘আমি খুব চাইছিলাম দাদাকে বাগদানের খবরটা দিতে। কারণ তার স্মৃতিলোপের রোগ রয়েছে। তার কাছে কোনও ফোন নেই, যোগাযোগের কোনও উপায় নেই।’

২১ বছরের তরুণী ওই রিহ্যাবে গিয়ে বিশেষ অনুমতি নেন। দাদার ঘরের কাচের দেওয়ালের বাইরে দাঁড়িয়ে আঙুলের আংটি দেখিয়েছেন তিনি। কাচের বাইরে নিজের নাতনিকে দেখে এগিয়ে যান বৃদ্ধ। হাতে হাত রাখেন নাতনির। কিন্তু মাঝে স্বচ্ছ কাচের দেওয়াল ছিল বিভাজিকা হয়ে। ওই রিহ্যাবের তরফে নাতনি ও দাদার এমন হৃদয়বিদারক ছবি ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে। মুহূর্তে সেটি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়।