জনসমাগম এড়িয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আতশবাজি দিয়ে মুজিববর্ষ শুরু

সোহরাওয়ার্দী অনুষ্ঠানে আতশবাজির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে।

মঙ্গলবার ১৭ই মার্চ রাত আটটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আতশবাজি দিয়ে শুরু হবে মুজিব শতবর্ষের উদ্বোধনী আয়োজন। এরপর, সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে পিক্সেল ম্যাপিং এবং লেজার শো। এছাড়া  ‘মুক্তির মহানায়ক’ শিরোনামে শতবর্ষের ধারণকৃত নানা আয়োজন রাত আটটা থেকে ১০টা পর্যন্ত থেকে প্রচার করবে সব চ্যানেলে।

মুজিববর্ষ ঘিরে ছিল ব্যাপক আয়োজনের প্রস্তুতি। তবে, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রকোপে পুনর্বিন্যাস করতে হয়েছে অনুষ্ঠান।

সোমবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলন করে মুজিব শতবর্ষ উদযাপন কমিটি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জানান, জনসমাগম বাদ দিয়ে আতশবাজির মাধ্যমে শুরু হবে মুজিববর্ষের উদ্বোধনী।

তিনি আরও জানান, আঁতশবাজির পরপরই মূল অনুষ্ঠান দেশের সকল বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করবে। দেশের সব স্যাটেলাইট চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দেখা যাবে মুজিববর্ষের বর্ণাঢ্য আয়োজন।

টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের জন্য একটা প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়েছে। এ প্রোগ্রামে রাষ্ট্রপতির বাণী আছে। জাতীয় শিশু দিবস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি।

সবকিছু মিলিয়ে একটা সুন্দর অনুষ্ঠান উপহার দিতে চান বলেও জানান কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে আসতে পারছেন না বিদেশি অতিথিরা। তবে, বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রধানের পাঠানো বার্তা প্রচার হবে।

সোমবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, মুজিববর্ষে তার আদর্শ ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিতে নেয়া হয়েছে বিশেষ কর্মসূচি। এছাড়া, গৃহহীন মানুষদের সরকার গৃহের ব্যবস্থা করবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

Print Friendly, PDF & Email