৬২-তেও আবেদনময়ী

পুরো নাম শ্যারন ইভোন স্টোন। গেল সপ্তাহে ৬২-তে পা রেখেছেন মার্কিন অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও সাবেক ফ্যাশন মডেল। এই বয়সেও আগের মতোই সাবলীল শ্যারন। নতুন বছরে হলিউডে অভিনয় করছেন অ-অমেরিকান রোমান্টিক ড্রামা ছবি ‘হোয়াইট অ্যাবাউট লাভ’-এ। রোমান্টিক এই ছবিতে অভিনয় করে শ্যারন প্রমাণ করেছেন এখনো তিনি চিরসবুজ। ছবিটি এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তি পাবে।

তিনি অভিনয়ের জন্য একটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার ও একটি এমি পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৫ সালে ফ্রান্স সরকার তাকে অদ্রে দে আর্ত এ দে লেত্রে উপাধিতে ভূষিত করে।

স্টোন ১৯৮৯ সালের মিনি ধারাবাহিক ওয়ার অ্যান্ড রিমেম্ব্রান্স দিয়ে প্রথম সবার নজর কাড়েন এবং টোটাল রিকল (১৯৯০) দিয়ে মূলধারার চলচ্চিত্রে খ্যাতি লাভ করেন। তিনি যৌন আবেদনের প্রতীক হয়ে ওঠেন এবং যৌন আবেদনময়ী থ্রিলারধর্মী বেসিক ইন্সটিনক্ট (১৯৯২) চলচ্চিত্রে ক্যাথরিন ট্রামেল ভূমিকায় অভিনয় করে আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করেন। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি তার প্রথম শ্রেষ্ঠ নাট্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি মার্টিন স্কোরসেজির ক্যাসিনো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ নাট্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি দ্য মাইটি (১৯৯৮) ও দ্য মিউজ (১৯৯৯) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য আরো দুটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।

স্টোনের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো সিলভার (১৯৯৩), দ্য স্পেশালিস্ট (১৯৯৪), দ্য কুইক অ্যান্ড দ্য ডেড (১৯৯৫), ইফ দিজ ওয়াল্‌স কুড টক ২ (২০০০), ক্যাটওম্যান (২০০৪), ব্রোকেন ফ্লাওয়ার্স (২০০৫), আলফা ডগ (২০০৬), ববি (২০০৬), লাভলেস (২০১৩) এবং ফেডিং গিগোলো (২০১৩)।

স্টোন ২০০৪ সালে দ্য প্র্যাকটিস টেলিভিশন ধারাবাহিকে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করে নাট্য ধারাবাহিকে অনন্য অতিথি অভিনেত্রী বিভাগে এমি পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি টেলিভিশন ধারাবাহিক ল অ্যান্ড অর্ডার: স্পেশাল ভিক্টিমস ইউনিট (২০১০) এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য ধারাবাহিক এজেন্ট এক্সে (২০১৫) অভিনয় করেন।

মূলত হলিউডের ছবিতে প্রথম থেকেই খোলামেলা চরিত্রে অভিনয় করার জন্য আলোচনায় থাকতেন শ্যারন। এ কারণে অনেকেই তাকে সাহসী অভিনেত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email