মনের প্রশান্তি খুঁজছেন দিয়া মির্জা

পাঁচ মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয় বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার। এত দিন এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রইলেও সম্প্রতি মুখ খুলেছেন। ভারতীয় একটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে অনেকটা খোলামেলাভাবে কথা বলেন তিনি।

এ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দিয়া বলেন, ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে যা আপনাকে শক্তি জোগায়, সেটাই আপনার নিজের সঙ্গে সমঝোতা। তা না হলে আপনার চারপাশে ঘটতে থাকা ঘটনাগুলোর সঙ্গে আপনি মানিয়ে নিতে পারবেন না। শুধু অন্যের সঙ্গে অসৎ হওয়াই নয়, এরপর আপনি নিজের কাছেও অসৎ হয়ে পড়বেন।’

বিবাহবিচ্ছেদের পর তার সঙ্গে মানুষের ব্যবহার কীভাবে পাল্টে গেছে, তা নিয়েও মন খুলে আলোচনা করেছেন দিয়া। বলেন, ‘আমি অবাক হয়ে যেতাম, এখনো হই। সব শিক্ষিত মানুষই কেমন একটা অদ্ভুতভাবে দুঃখ দুঃখ ভাব দেখাতে শুরু করত। সেটা আমাকে আরও কষ্ট দিত। আবার জিজ্ঞাসা করত, কীভাবে সবকিছু সামাল দিচ্ছি।’

২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে ব্যবসায়ী সাহিল সাঙ্ঘার সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন সালমান খানের ‘তুমকা না বোল পায়েঙ্গে’ ছবির নায়িকা দিয়া মির্জা। সব ভালোই চলছিল। কিন্তু ভালোবাসার সেই ঘর দীর্ঘস্থায়ী হলো না। গত বছরের অক্টোবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় যৌথভাবে পোস্ট দিয়ে দিয়া ও সাহিল জানান, তারা আর বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ থাকছেন না।

দিয়া মাত্র সাড়ে চার বছর বয়সে বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদের ধাক্কা সামলেছিলেন। তাই ৩৭ বছর বয়সে নিজের বিয়ে ভাঙলেও, সেই ঘটনায় মুষড়ে পড়েননি তিনি।

তবে সেলিব্রিটি হিসেবে বিয়ে ভাঙায় কষ্ট কম পাননি এই তারকা। বাকি দিনগুলোতে নিজের মতো করেই কাটাবেন দিয়া।

কষ্ট থেকে বাঁচার জন্য ১৪ বছর ধরে সকালে উঠে ধ্যান করেন দিয়া। বাড়িতে বাগান করেছেন। রোজ ওই বাগানে অনেক পাখি আসে। এভাবেই  নিজের মনের প্রশান্তি খোঁজার চেষ্টা করেন তিনি।

বর্তমানে দিয়া মির্জা অভিনয়ের পাশাপাশি উপস্থাপনা ও নিজের ব্যবসায় নিয়ে ব্যস্ত। যদিও অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত নন তিনি। তবে মাঝেমধ্যেই উপস্থাপনায় তাকে দেখা যায়।

দিয়াকে সর্বশেষ দেখা যায় ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক ‘সঞ্জু’তে। সেখানে তিনি রণবীর কাপুরের স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করেন।

Print Friendly, PDF & Email