লক্ষ্মীপুরে পাকা সড়কে কাঁদা : যাতায়াতে দূর্ভোগ

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ সড়ক গুলি বৃষ্টিতে কাঁদা ও রোদে ধুলাধুলিতে একাকার হয়ে পড়েছে। ফলে কোমলতলি শিক্ষার্থীরাসহ মানুষের যাতায়তে দূর্ভোগ চরম অাকার ধারন করছে। ঘটছে অহরহ দূর্ঘটনা, অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে শিশু কিশোরসহ অবাল বৃদ্ধবনিতা। সড়ক গুলিতে খানাখন্দে ভরে যাচ্ছে। জঞ্জাজলিতে যাচ্ছে সরকারের কোটি কোটি উন্নয়ন। ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে সরকারের। এ সমস্যার কারন হিসাবে ১৪টি অবৈধসহ ২১টি ইটভাটার মাটির চাহিদা মিটাতে অবৈধ ট্রলির চলাচলকে দায়ী করছেন সাধারন মানুষ। তবুও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সামান্য কিছু সুবিধার জন্য নির্বিকার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোলাকোট ইউনিয়নের দেহলা গ্রামে জনবসতি ও স্কুলের পাশে ৪টি ইটভাটা রয়েছে। এসব ভাটা মালিকদের বৈধ কাগজপত্র নেই। এ গ্রামের পঁচা মার্কেট থেকে সমেষপুর সড়কটি মাত্র ৮ মাস অাগে নির্মান করা হয়। সড়কটি দিয়ে অাথাকরা হাইস্কুল, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ প্রতিদিন শত শত লোক চলাফেরা করে।এ সড়কটি দিয়ে গত ২ মাস থেকে মদিনা ইটভাটার মালিক ডিপজলের সহযোগিতায় মাটি ব্যবসায়ী মুন্সী মিয়া ১০/১৫টি ট্রলি ও ড্রাম পিকাপ দিয়ে মাটি অানা অানা নেওয়ায় করে। ফলে সড়কটি ভেঙ্গে খানাখন্দে ভরে যায় এবং ট্রলি থেকে মাটি পড়ে বৃষ্টি হলে কাদা ও রোদে ধুলাবালিতে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। মানুষ চরম দূভোগ পোহাতে হচ্ছে। রামগঞ্জ পৌরসভা সোনাপুর – পানিয়ালা চিতশি সড়কের সুধারাম ব্রীজের পাশে ইটভাটাটির অাশপাশে একই অবস্থা দেখা যায়। এভাবে ভোলাকোট, ভাটরা, করপাড়া ,ভাদুর ইউনিয়নসহ পৌর সভা বিভিন্ন গ্রামে এমন চিত্র ।
স্থানীয় অানোয়ার হোসেন, বাবুল, ফরহাদসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, পচা মার্কেট- সমেষপুর রাস্তা প্রায় ৮/১০মাস অাগে সরকার ১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মান করে। এখন সরকারী দলের কিছু লোক সুবিধা নিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাস্তাটি ভেঙ্গে পেলছে। ছাত্রছাত্রীসহ মানুষ খুব কষ্ট পাচ্ছে। ভেঙ্গে যখন ফেলবে করে লাভ কি।

মাটি ব্যবসায়ী মুন্সী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী মাটি নিচ্ছি। রাস্তা যে মাটি পড়ে তা লেবার দিয়ে ফেলে দেওয়া হবে।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির জাহান জানান, সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে ৭ টি ট্রলির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email