লক্ষ্মীপুরে ভয়ানক জিবিএস রোগে আক্রান্ত সোহাগ : বাঁচাতে প্রয়োজন লাখ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

লক্ষ্মীপুরে ভয়ানক জিবিএস রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন মেধাবী ছাত্র নূর মোহাম্মদ সোহাগ (২৩)। সে লক্ষীপুর সরকারি কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ফাইনাল বর্ষের ছাত্র ও রায়পুর উপজেলার উদমারা গ্রামের সৈয়দ আহম্মদের ছেলে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শীত জনিত রোগে ভুগছিলেন সোহাগ। অর্থের অভাবে বড় মাপের ডাক্তারের কাছে যায়নি সে। একপর্যায়ে প্রতিবেশীর নিকট থেকে টাকা ধার করে উপজেলা ক্লিনিকে যায় সোহাগ। সেখানে জানতে পারে ভয়ানক জিবিএস রোগে আক্রান্ত সে। যা গড়ে লক্ষাধিক মানুষের মাঝে ১-২জনের হয়।

স্থানীয়রা জানায়, মেধাবী ছাত্র সোহাগ সবসময় মানব কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছে। অথচ আজ সে লাখ লাখ টাকার অভাবে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। ভয়ানক জিবিএস রোগের জন্য বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরো সাইন্স হসপিটাল কিন্তু অর্থের অভাব ও পরিচিত কেউ না থাকায় ওই হাসপাতালে সোহাগকে ভর্তি করানো যাচ্ছে না।

নূর মোহাম্মদ সোহাগের মেজ ভাই মোঃ ইলিয়াস হোসেন শীর্ষ সংবাদকে জানায়, জিবিএস রোগে আক্রান্ত সোহাগকে বাঁচাতে প্রতিদিন ১টি করে সর্বমোট ৫টি আইভিআইজি ইনজেকশন দিতে হবে। এতে রোগ প্রতিরোধ না হলে আরো কয়েকটি ইনজেকশন দিতে হবে। প্রতিটি ইনজেকশনের মূল্য প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা। একই সাথে কমপক্ষে ৪দিন দিতে হবে প্লাজমা এক্সচেঞ্জ, যার মূল্য পড়ে ২ লাখ টাকা। এছাড়াও হাসপাতালে সাগরকে রাখতে হবে দীর্ঘ ৬ মাস। অথচ বসতভিটা ছাড়া তাদের আর কোন সম্বল নেই। বাবা সৈয়দ আহম্মদও বর্তমানে কর্মক্ষম ও অসুস্থ হয়ে বিছানা শয্যায়। এমতা অবস্থায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সদস্য মামুন বীন জাকারিয়া বলেন, রায়পুর উপজেলার কৃষক সৈয়দ আহম্মদের ছেলে সোহাগ। তার বাবা অনেক কষ্ট করে সোহাগকে লেখাপড়া করিয়েছেন। অথচ দুর্ভাগ্যক্রমে আজ সোহাগ জিবিএস রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। তাকে বাঁচাতে সর্বমহলের সহযোগিতা কামনা করেন জেলা পরিষদের এ সদস্য।

নূর মোহাম্মদ সোহাগকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করতে যোগাযোগ করুন তাঁর মেঝ ভাই মো. ইলিয়াস হোসেন মোবাইল ০১৮৭৯৭৬৯৭৭৩ সাথে।

Print Friendly, PDF & Email