চীনের গোপন অস্ত্রাগার থেকে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে!

চীনের হুবেই প্রদেশের উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝোংনান হাসপাতালের গবেষণাঘার থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মারাত্মক প্রাণীঘাতি করোনাভাইরাসটি। এমন দাবি করেছেন একজন ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ড্যানি শোহম। তিনি জানিয়েছেন, চীনের গোপন বীবাণু অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ওহান শহরের এ পরীক্ষাগারটি।

রিডিও ফ্রি ইশিয়া গত সপ্তাহে চীনের উহান টেলিভিশনের ২০১৪ সালের একটি রিপোর্ট পুনঃপ্রকাশ করে। তাতে চীনের সবচেয়ে উন্নত ভাইরাস গবেষণা পরীক্ষাগার দাবি করা হয়ে এটিকে, যা উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি নামে পরিচিত, দ্য ওয়াশিংটন টাইমস জানিয়েছে, যে ল্যাবরেটরিটি চীনের একমাত্র ঘোষিত সাইট যা মারাত্মক ভাইরাস নিয়ে কাজ করতে সক্ষম।

ইসরাইলের সাবেক সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ড্যানি শোহম, যিনি চীনা জৈবিক যুদ্ধের অধ্যয়ন করেছেন, তিনি বলেন, এই ইনস্টিটিউট বেইজিংয়ের গোপন বায়োঅস্ত্র কর্মসূচির সাথে যুক্ত।

এই “ইনস্টিটিউটে কিছু পরীক্ষাগার সম্ভবত চীনা (জৈবিক অস্ত্র) তে গবেষণা এবং বিকাশের ক্ষেত্রে নিযুক্ত রয়েছে। তবুও চীনা বিডাব্লু সারিবদ্ধকরণের মূল ব্যবস্থা হিসাবে নয়,” শোহাম দ্য ওয়াশিংটন টাইমসকে বলেছেন। জৈবিক অস্ত্রের উপর কাজ দ্বৈত বেসামরিক-সামরিক গবেষণার অংশ হিসাবে পরিচালিত হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত শোহাম মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজিতে ডক্টরেট করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্বজুড়ে জৈবিক এবং রাসায়ণিক যুদ্ধের জন্য ইস্রায়েলি সামরিক বুদ্ধিমত্তার একজন সিনিয়র বিশ্লেষক ছিলেন তিনি। এছাড়াও শোহাম লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

যদিও চীন কোনও আপত্তিকর জৈবিক অস্ত্র তাদের কাছে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর পররাষ্ট্র দফতরের একটি প্রতিবেদনে চীন গোপনে জৈবঅস্ত্র উৎপাদন করছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করে।

Print Friendly, PDF & Email