লক্ষ্মীপুরের জয় আবারও পাচ্ছে পুলিশের বিপিএম পদক

গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ সম্মান বিপিএম-সেবা পদক-২০১৯ পাচ্ছেন, লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান ও ডিএমপির সহকারি পুলিশ কমিশনার অহিদুজ্জামান নূর জয়।

এর আগে ২০১৭ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদক-বিপিএম লাভ করেন। 

২০১৯ সালের এ তালিকায় আরো ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে এ পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। রবিবার (৫ জানুয়ারি) পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহে মনোনীতদের পদক পরিয়ে দেবেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে গত ২০১৯ সালে পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণের অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৪ জনকে “বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)”, ২০ জনকে “রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)” এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৮ জনকে “বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা” এবং ৫৬ জনকে “রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা” প্রদান করা হবে।

জয় ডিএমপির কাউন্টার টেররোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সহকারী পুলিশ কমিশনার পদে দায়িত্বরত আছেন।

তিনি ৩৩তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন । রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ শেষে কাজ শুরু করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লাসহ সবশেষ ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রাসেল স্কয়ারের জঙ্গিবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন জয়।

ছাত্রজীবনে মেধাবি জয় লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিক পড়েছেন ঢাকার নটরডেম কলেজে। এরপর নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মাসিতে  স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন ।

তার মাতা অ্যাডভোকেট সেলিনা আখতার দেশের প্রথম নারী গর্ভমেন্ট প্লিডার(জিপি)। যিনি বর্তমান লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভিপি সম্পত্তি বিষয়ক কৌঁশুলী হিসেবে কাজ করছেন। আর বড় ভাই মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর বিজয় ঢাকার অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর হাকিম পদে কর্মরত আছেন।

Print Friendly, PDF & Email