দেশে এত শিক্ষিত বেকার কেন?

আবু কাওসার :

মোস্তফা ওয়াসিফ মিঠু ২০১৭ সালে স্নাতকোত্তর পাস করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার ছাত্র মিঠু এ পর্যন্ত ১০-১২টি প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দিলেও চাকরি হয়নি। মিঠু জানান, তার ডিপার্টমেন্ট থেকে ৬৬ জন পাস করেছেন দুই বছর আগে। এর মধ্যে মাত্র দশজনের চাকরি হয়েছে। বাকিরা কর্মহীন এখনও।

একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র আশরাফুল ইসলাম তপু জানান, তাদের ব্যাচের ২০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ৫-৭ জন। কারও কারও চাকরি আবার খণ্ডকালীন। বাকিদের চাকরি কবে হবে, আদৌ হবে কি-না, তা বলা মুশকিল। মিঠু-তপুর মতো এরকম লাখ লাখ শিক্ষিত তরুণ দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়েও চাকরি না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন। শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীর কাছে চাকরি হয়ে উঠেছে ‘সোনার হরিণ’। শিক্ষার হার বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিক্ষিত বেকার, যা উদ্বেগের বিষয়। পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের মধ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকার প্রায় ৩৭ শতাংশ। স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী বেকার ৩৪ শতাংশ।

এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাস করা তরুণ-তরুণীর মধ্যে বেকারের হার যথাক্রমে ২৭ ও ২৮ শতাংশ। অর্থাৎ, বাংলাদেশে কারও শিক্ষার ডিগ্রি যত বড়, তার বেকার হওয়ার বা থাকার আশঙ্কাও তত বেশি। সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে। এসএসসি, এইচএসসি, বিএ এবং এমএ পাস ৬ লাখের বেশি তরুণ-তরুণীর ওপর জরিপ করে এসব উপাত্ত পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মূল কারণ শিক্ষার নিম্নমান :দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ ও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাসহ সংশ্নিষ্টরা বলছেন, প্রধানত শিক্ষার নিম্নমানই এর জন্য দায়ী। সমকালকে তারা বলেছেন, ‘উচ্চশিক্ষার মান তলানিতে পৌঁছেছে। মানহীনতার পাশাপাশি প্রশিক্ষণের অভাব, দক্ষ জনবলের ঘাটতি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত শিক্ষা দিতে না পারা ও শিক্ষায় কম বিনিয়োগ ইত্যাদি এর কারণ।’ অর্থনীতিবিদরা বলেন, ‘বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তথা জিডিপি যে হারে বাড়ছে, সে অনুযায়ী দেশে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। শ্রমবাজারের তুলনায় চাকরির বাজার ছোট হওয়ায় সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারীরাও চাকরি পাচ্ছেন না।’ তাদের মতে, ‘বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বেকারত্ব কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের চিত্র অনেকটাই বিপরীত। এ দেশে শিক্ষিতের বেকার হওয়ার আশঙ্কা অশিক্ষিতদের তুলনায় বেশি।

বিসিএসে এক পদে ২০০ প্রার্থী :চাকরির বাজারে এখন এমন ভয়াবহ মন্দা চলছে যে, প্রতিবছর ২০ লাখের বেশি নতুন মুখ শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছেন; কিন্তু অর্ধেকই কাজ পাচ্ছেন না। আবার যারা কাজ পাচ্ছেন, তাদের বড় অংশই অর্ধবেকার বা ছদ্মবেকার। কেননা তারা নিজেদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছেন না। ৪০তম বিসিএসে আবেদন জমা পড়েছে মোট ৪ লাখ ১২ হাজার। অথচ পদসংখ্যা প্রায় দুই হাজার। অর্থাৎ প্রতিটি পদের জন্য ২০০-এর বেশি প্রার্থী প্রতিযোগিতা করবেন!

কর্মসংস্থানের বড় উৎস অনানুষ্ঠানিক খাত :বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জরিপ অনুযায়ী, দেশে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৮০ হাজার, যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ছিল ২৬ লাখ। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী কর্মরত মোট জনগোষ্ঠী (শ্রমশক্তি) ৫ কোটি ৮০ লাখ। এর বড় অংশ প্রায় ৫ কোটিই হকার, ফেরিওয়ালা, গৃহকর্মী, গাড়িচালকসহ বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক খাতের।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মতে, যারা সপ্তাহে এক ঘণ্টাও মজুরির বিনিময়ে কোনো কাজ পান না, তাদের বেকার ধরা হয়। আইএলও প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল আউটলুক-২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বেকার ছিল বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০১০ সালে। তখন বেকার ছিলেন ২০ লাখ। ২০১২ ও ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় যথাক্রমে ২৪ লাখ ও ২৮ লাখ। আইএলও তার পূর্বাভাসে জানাচ্ছে, বাংলাদেশে যে হারে বেকার বাড়ছে, তাতে চলতি বছরের শেষে এ সংখ্যা ৩০ লাখে গিয়ে ঠেকবে। তবে বাস্তবে বেকারের সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করেন সংশ্নিষ্টরা।

প্রবৃদ্ধি বাড়লেও কমছে কর্মসংস্থান! :কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার যে হারে বাড়ছে, তাকে অনেকেই ‘বিস্ময়কর সাফল্য’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও উচ্চ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। সরকার আশা করছে, নানা প্রতিকূলতার পরও চলতি অর্থবছর প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। স্বাভাবিক নিয়মে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়ে। বাংলাদেশে এর উল্টোচিত্র দেখা যাচ্ছে। প্রবৃদ্ধি যে হারে বাড়ছে সে অনুযায়ী বাড়ছে না কর্মসংস্থান।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ১৩ লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে। ওই সময়ে প্রতিবছর গড়ে কর্মসংস্থান হয়েছে সাড়ে ৬ লাখ। অন্যদিকে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মাত্র ছয় লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। অর্থাৎ ২০১৩-১৫ সালে প্রতিবছর গড়ে তিন লাখ কর্মসংস্থান হয়েছে, যা আগের চেয়ে অর্ধেকে নেমে এসেছে। অর্থনীতিবিদরা বলেন, প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিনিয়োগ বাড়ছে না। বিনিয়োগ না বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়বে না।

কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেই :বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন তেমন একটা নেই। চলতি অর্থবছরের বাজেটে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ঘোষণা দেওয়া হয়। যদিও কোন খাতে কতটি হবে, কীভাবে হবে সে বিষয়ে বাজেট বক্তৃতায় কোনো কিছুই বলা হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সরকারি খাতে প্রতিবছর মাত্র ৫ শতাংশ লোক চাকরি পান। বাকি ৯৫ শতাংশ চাকরির উৎস বেসরকারি খাত। এদিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ কয়েক বছর ধরে ২৩ শতাংশে এসে স্থবির হয়ে আছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। যদিও দুঃখজনক হলেও সত্য, নানা প্রণোদনা দেওয়ার পরও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ছে না।

এখনও শুরু হয়নি স্টার্টআপের কার্যক্রম! :এদিকে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবারের বাজেটে ‘স্টার্টআপ’ নামে ১০০ কোটি টাকার পৃথক একটি তহবিল গঠন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানাচ্ছে, চলতি অর্থবছরের ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও এর কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি। যুব মন্ত্রণালয় সূত্র জানাচ্ছে, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে। এর আওতায় মোট যুবশক্তির ২৮ শতাংশকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল করা হবে।

এ প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আখতার হোসেন বলেন, চাকরির বাজার সবার জন্য খোলা নেই। সুযোগও সীমিত। সরকার যেটা পারে, তা হলো চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষণসহ নানামুখী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রশিক্ষণের ওপর। কারণ, সাধারণ শিক্ষায় লেখাপড়া করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ কমে আসছে।

ঝোঁক বেশি সরকারি চাকরির দিকে :বর্তমান সময়ে সাধারণ শিক্ষার চেয়ে বিশেষায়িত ও কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব বেশি। কিন্তু বাংলাদেশে বেশির ভাগ উচ্চশিক্ষিতের সরকারি চাকরি বিশেষ করে বিসিএস ক্যাডারের প্রতি ঝোঁক বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিসিএস ক্যাডারে চাকরি পেলে কম সময়ে অর্থবিত্তের মালিক হওয়া যায়। ক্ষমতাও প্রয়োগ করা যায় নানাভাবে। সরকারি চাকরিতে বর্তমানে বেতনসহ নানা সুযোগ-সুবিধাও বেশি। সে জন্য তারা সরকারি চাকরির প্রতি উৎসাহী।

বিশিষ্টজনের অভিমত :শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক, টিআইবির নতুন ন্যায়পাল সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘এ দেশের উচ্চশিক্ষার মান একেবারে তলানিতে পৌঁছেছে। ভাষা শিক্ষার মানও অত্যন্ত নিম্ন। বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ খাতে বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হবে। মেধাবীদের শিক্ষকতার পেশায় নিয়ে আসতে হবে। এ জন্য দশ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা নিতে হবে। মান বাড়াতে হলে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে প্রাথমিক শিক্ষায়। প্রতিবছর ২ থেকে ৩ শতাংশ হারে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। না হলে কর্মহীনের সংখ্যা আরও বাড়বে।’

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। এ খাতে বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হবে। মানবসম্পদ উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, দেশের শ্রমবাজারে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল থাকলে বেশি বেতন দিয়ে বিদেশ থেকে লোক আনতে হবে না।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম বলেন, শিক্ষিত বেকারের হার দেশের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। এর অর্থ, চাকরির বাজারে যে ধরনের দক্ষতা ও যোগ্যতা দরকার, সে ধরনের শিক্ষা সবাই পাচ্ছে না। তাই বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চশিক্ষার কারিকুলাম নির্ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন, দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী কী ধরনের দক্ষ জনবল দরকার, তা নিশ্চিত করার জন্য বেসরকারি প্রতিনিধি ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ঢাকা চেম্বারের আরেক সাবেক সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, বেশিরভাগ চাকরিপ্রার্থীর ইংরেজি ভাষাজ্ঞান খুবই দুর্বল। এ বিষয়ে সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

অর্থনীতিবিদ ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সঙ্গে বাস্তবতার অসামঞ্জস্য রয়েছে। দেশের অনেক শিল্পোদ্যোক্তাই তাদের প্রতিষ্ঠানে শ্রীলংকা থেকে অ্যাকাউনট্যান্ট নিয়ে এসেছেন। তার মানে, এখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যারা বের হচ্ছে, তাদের শিক্ষা মানসম্মত নয়। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

অর্থনীতিবিদ জায়েদ বলেন, সাধারণ শিক্ষার চেয়ে এখন বেশি নজর দিতে হবে বিশেষায়িত শিক্ষায়। কারিকুলাম বদলাতে হবে। আরও বেশি স্পেশাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট করতে হবে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে। জিডিপি বাড়লেও কর্মসংস্থান কমছে কেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘একেবারই বাড়ছে না, এটা ঠিক না।’

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, শ্রমশক্তির তুলনায় চাকরির বাজার ছোট। গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে। কিন্তু মান নেই। প্রবৃদ্ধি হচ্ছে বিনিয়োগবিহীন। ভোগ ও সরকারি খাতে বেশি ব্যয় হচ্ছে। ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ স্থবির। এ খাতে বিনিয়োগ না বাড়লে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে না।-সমকাল

Print Friendly, PDF & Email