ট্রাম্পের নির্দেশেই জেনারেল সোলেইমানিকে হত্যা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পেন্টাগন। বৃহস্পতিবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে এক রকেট হামলায় নিহত হন ইরানের বিশেষ বাহিনী রেভ্যুলশনারি গার্ডের কুদস শাখার প্রধান। এক বিবৃতিতে এ হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসের সাম্প্রতিক হামলায় ওই কুদস বাহিনীকেই দুষছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের আঞ্চলিক শক্তি বৃদ্ধির প্রধান কারিগর জেনারেল কাসেমি। তিনি ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর সবচেয়ে প্রভাবশালী কমান্ডার। সিরিয়া ও ইরাকে জঙ্গিবিরোধী লড়াইয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গত অক্টোবরেও তাকে হত্যাচেষ্টা বানচাল করে দেওয়ার দাবি করেছিলো ইরান।বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পেন্টাগন জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই জেনারেল কাসেম সোলাইমানির ওপর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।  মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর দাবি করেছে, ইরাকে মার্কিন দূতাবাসের কর্মী ও কূটনীতিদের ওপর হামলার সক্রিয় পরিকল্পনা করছিলেন তিনি।ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানপন্থি মিলিশিয়াদের ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান হামলার প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯) বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। ভবনের অভ্যর্থনা কক্ষে আগুন দিয়ে তারা দূতাবাসের বাইরে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে।গত সপ্তাহ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলাও সোলাইমানির নির্দেশে হয়েছিল বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের। পেন্টাগন বলছে, ভবিষ্যতে ইরান যেন হামলার পরিকল্পনা করতে না পারে তাই সুলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছে।ছুটিতে থাকা ট্রাম্প কোনও মন্তব্য না করলেও মার্কিন পতাকা দিয়ে একটি টুইট করেছেন।দুই দিন ধরে দূতাবাস কর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখার পর শিয়া মিলিশিয়া নেতাদের নির্দেশে বুধবার সরে যায় বিক্ষোভকারীরা। দূতাবাসে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন এজন্য তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে। অভিযোগ অস্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

Print Friendly, PDF & Email