বনানীতে অন্যের ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালাতেন সম্রাট

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট রাজধানীর বনানীতেও ক্যাসিনো ব্যবসা চালাতেন। জমজমাট সেই ক্যাসিনো ব্যবসার জন্য বনানীর আহমেদ টাওয়ারের ২২তলার ঢাকা গোল্ডেন ক্লাবটি মূল মালিকের কাছ থেকে তিনি কৌশলে নিজের দখলে নিয়ে নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, বনানীর আহমেদ টাওয়ারের ২২তলায় রয়েছে ঢাকা গোল্ডেন ক্লাব। ওই ক্লাবটি চালু করেন চাঁদপুরের ব্যবসায়ী আওয়াল পাটোয়ারি ও আবুল কাশেম। তবে যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট কৌশলে ক্লাবটি মূল মালিকদের কাছ থেকে নিজের অধীনে নিয়ে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর নেপালের নাগরিক অজয় পাকরালের তত্ত্বাবধানে ক্লাবটির ভেতরে জমজমাট ব্যবসা চালু করেন সম্রাট। একইসঙ্গে সেই ক্লাবে জোর করে যুবলীগ নেতা আরমানকে মালিকানায় ঢুকিয়ে দেখভালের দায়িত্ব দেন সংগঠনটির মহানগর নেতা মামুন সরকার, শাহাদাত হোসেন সেলিম ও এমকে আলমকে। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা উত্তরের যুবলীগের আরেক নেতা ইসমাইল।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মহানগর যুবলীগেরই এক নেতা এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ক্লাবটির ভেতরে জমজমাট এই ক্যাসিনো ব্যবসা চালিয়ে অল্পদিনেই কোটিপতি বনে যান মহানগর দক্ষিণের যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট।

গত ৬ অক্টোবর ভোরে যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।