বন্ধু তুমি শত্রু …

কামরুন্নাহার মনি যে ছিল নুসরাতের খুবই ঘনিষ্ঠ একজন বান্ধবী।  নুসরাত হত্যার কিলিং মিশনে সরাসরি যুক্ত ছিল মনি।  নুসরাতের বুক চেপে ধরে হাত-পা বাধতে সহযোগীতা করা ছাড়া ও কেরোসিন প্রথম ছিটানো এই মনি শুরু করেছিল।  যে কিনা তখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল ।

আসল কথায় আসি।  বেশ কয়েকজন’কে দেখছি এই মনির জন্য অনেক মায়া কান্না কাদঁছেন।  কারণ চারদিন আগে মনি কন্যা সন্তান প্রশব করেছেন।

তাদেরকে বলছি এমন হীন অমানুষের জন্য মায়া কান্না করার আগে একবার নুসরাত হত্যার সে নির্মম মুহূর্তগুলো ঘুরে আসুন।  এখনো শরীরের প্রতিটি লোম দাঁড়িয়ে যাবে।  একবার শুনে আসুন মৃত্যুর আগে পানি পানি করে কাৎরানোর সেই করুন শব্দগুলো।  চোখের পানি অজান্তেই গাল ভিজিয়ে দিবে।

এক বাচ্চার ইস্যু দিয়ে ফাঁসি থেকে মুক্ত করার চিন্তা-ভাবনা করাটা বিরাট ভুল।  এর মত নরপশুর শাস্তি আরো জঘন্য হওয়া উচিত।  যে কিনা ছিলো একজন বান্ধবী, কাছের মানুষ।  বন্ধু ও বিশ্বাসের ছায়া তলে সেও করলো নিমকহারামি! এর জন্য ফাঁসিও কম হয়ে যায়। পাথর নিক্ষেপ করে মারা উচিত।  এমন জঘন্যতম মানুষের স্পর্শ থেকে নিষ্পাপ সন্তানটি দূরে থাকাই ভালো।

জালেমের উপর রহম করা মাজলুমের উপর জুলুম করার সমান।  এদের জন্য মায়া নয় বরং ঘৃণা অবজ্ঞা ধিক্কার! আইনের ভাষায় -রায় কার্যকর হতে সব মিলিয়ে প্রায় দুই আড়াই বছর লাগবে।  সেটুকু সময় শিশুর দুধ ছাড়ানোর জন্য যথেষ্ট।