আমার পাগলীটার জন্য

– এই ( ঘুম ঘুম চোঁখে)
– হুম…
– ক’টা বাজে?
– ছ’টা…
– আচ্ছা। দাড়াও আমি উঠে চা দিচ্ছি ….
– হুম …
– ( চোঁখ খুলতেই সামনে রাখা ল্যাপটপে ভিডিও কলে নীলের মুখটা সামনে)
এই তুমি কই?
– অফিসে ..
– এত সকালে !!!!
( ঘড়ির দিকে তাকাতেই 9:30)
রাগ করে কলটা কেটে দেয় বৃষ্টি …
খাট থেকে সামনে পা বাড়াতেই চিরকুট
( জানতাম তো কলটা কেটে দেব… যাও দাঁত টা ব্রাশ করে নাও। পাশের টেবিলে ব্রাশ পেষ্ট রাখা আছে …)
ব্রাশটা হাতে নিয়ে মুচকি হাসে বৃষ্টি …
পেষ্টের নিচের চিরকুটে লেখা …
( হেসনা … ফ্রস হয়ে এস আগে)
বাতরুমের দরজায় লাগানো চিরকুট
(হিটারে পানি গরম করা আছে …. )
বৃষ্টি হেসে ভিতরে ঢুকতেই, শাড়ি পুরো গুছিয়ে রাখা আছে …)
শাড়িটা পরে বেরিয়ে ড্রেসিং টেবিলে লাগানো চিরকুটে দেখতে পায় …
( এই চুলটা তো ভাল করে মুছে নাও ..)
চুল মুছে ভেজা টাওয়াল শুকোতে দিতে গিয়ে …
( এই টিপ পড়তে ভুলে গেছ কিন্তু)
বৃষ্টি দৌড়ে এসে টিপ পড়তে গেলে ..
লাল টিপের পাতার নিচে
( বারান্দায় যাও না গো …)
বারান্দয় যেতেই টি টেবিলে বৃষ্টির পছন্দের আদা চায়ের সমস্ত ব্যবস্থা …
( ঠান্ডা হয়ে যাবে বলে বানালাম না। দু, চামচ চিনি দিয়ে চা টা বানিয়ে নাও)
চা বানিয়ে প্রিচটা উঠাতেই …
(একাই চা খেবে ? আমাকে ডাকবে না? আমি কিন্তু চা খেয়ে আসিনি …)
বৃষ্টি ফোনটা তুলে নীলকে ফোন করতে যেতেই দরজায় কলিং এর শব্দ …
ছুটে দরজা খুলতেই,
-লাভ ইউ পাগলি….
বৃষ্টি কিছু বলতে পারে না শুধু শক্ত করে নীলকে জড়ায় …
– এই চা কিন্তু ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে … আমি কিন্তু মিথ্যে বলে অফিস থেকে বেড়িয়েছি..
– তুমি এমন কেন?
– আমার পাগলিটার জন্য …
– আমায় তুললে না কেন?
– তুললে কি পাগলিটা আমায় এমন করে জড়াত …???
– কি??????
( হাসতে হাসতে ওরা চায়ের কাপে চুমুক দেয়)

এই বিভাগের আরো সংবাদ