‘বিশেষ বিবেচনায়’ পাশ আশরাফুলরা

প্রথমবার বিপ টেস্টে মোহাম্মদ আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাক, নাসির হোসেনরা বেঁধে দেওয়া ১১-এর নিচে স্কোর করেছিলেন। তাদের জন্য রোববার (৬ অক্টোবর) আয়োজন করা হয় আরেকটি পরীক্ষার। দ্বিতীয়বারের চেষ্টাতেও ‘বেঞ্চ মার্ক ১১’ ছুঁতে পারেননি তারা। তবে আগের চেয়ে উন্নতি হওয়ায় নির্বাচকদের বিশেষ বিবেচনা নিয়ে জাতীয় লিগে থাকছেন তারা।

প্রথমবার পরীক্ষা না দেওয়া এবং প্রথমবারের পরীক্ষায় উৎরাতে না পারা ৩৫ জন ক্রিকেটার এদিন সকালে অংশ নেন বিপ টেস্টে। বিসিবি ট্রেনার তুষার কান্তি হাওলাদার জানিয়েছেন, আগেরবারে উৎরাতে না পারা সবাই এই পাঁচ দিনে উন্নতি করেছেন, ‘৩০-৩৫ জনের মতো দিয়েছে (পরীক্ষা)। এদের মধ্যে যারা খুব চেনা মুখ, যেমন- আশরাফুল, তারা সবাই উন্নতি করেছে কিন্তু কেউ একদম বেঞ্চ মার্ক (১১) স্পর্শ করতে পারেনি। তাদের জন্য হয়তো নির্বাচকরা আলাদা করে ভাববেন। তাদের বয়স এবং খেলার অভিজ্ঞতা হয়তো বিচার করা হবে।’

প্রথমবার ৯.৫ পাওয়া আশরাফুল এদিন পেয়েছেন ১০.১। দশের কাছাকাছি আছেন মোহাম্মদ শরিফ, নাসির, রাজ্জাকরাও। শিশুপুত্রের অসুস্থতায় খেলার বাইরে থাকা ইমরুল কায়েস মাঠে ফেরেন এই সপ্তাহে। প্রথমবার পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তিনি। তিনিও দেন পরীক্ষা। তাতে ১১-এর বেশি পেয়েছেন তিনি। জাতীয় দল ও বিসিবির কোনও ধরনের দলে অনেকদিন না থাকা পেসার আল-আমিন হোসেন এদিন সর্বোচ্চ ১২.১ স্কোর তুলতে পেরেছেন।

১১ তুলতে পারেননি, তবে আগের চেয়ে উন্নতি করায় জাতীয় লিগ খেলার আশায় মোহাম্মদ আশরাফুল। যা খবর, এবার বরিশাল বিভাগের হয়ে লিগ খেলার সুযোগ হচ্ছে তার। যদিও নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশায় তিনি, ‘আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। শেষবার ৯.৭ ছিল আমি, আজ ১০.১ দিয়েছি। আমি মনে করি, যত সময় যাবে আরও উন্নতি হবে। এখনও জানি না আসলে কী হবে। এতটুকু জানি উন্নতি হয়েছে। এভাবে ট্রেনিং করতে থাকলে উন্নতি হবে। ঠিক জানি না প্রক্রিয়াটা কি। যদি আবার দিতে হয় তাহলে দেব।’

নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন যারা ১১ তুলতে পারবেন না, বারবার পরীক্ষা দিয়ে সেট করে দেওয়া সেই ল্যান্ডমার্ক স্পর্শ করার সুযোগ থাকছে তাদের সামনে। একইসঙ্গে বয়স, অভিজ্ঞতা এবং আগের আসরের পারফরম্যান্স বিচার করে বিশেষ বিবেচনা তো থাকছেই।