সার্বজনীন শিক্ষানীতি প্রণয়ণে ব্যর্থ শাসকগোষ্ঠী

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশের শাসকগোষ্ঠী একটি সার্বজনীন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সকল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিবাজদের কালো থাবায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তান সরকারের গণবিরোধী শিক্ষানীতির প্রতিবাদে এবং একটি গণমুখী শিক্ষানীতি প্রবর্তনের দাবিতে ১৯৬২ সালের ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণআন্দোলনের রক্তাক্ত স্মৃতিবিজড়িত দিন ১৭ সেপ্টেম্বর। সে দিন যে চেতনায় আন্দোলন হয়েছে সেই চেতনা আজও অধরা রয়ে গেছে।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, দেশের শাসকগোষ্ঠী ‘টাকা যার শিক্ষা তার’ এই নীতির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পালন করে গেছে অগ্রণী ভূমিকা। ’৫২’র ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ’৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, যার অনিবার্য পরিণতিরূপে ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ। তেমনিভাবে বর্তমান প্রজন্মের ছাত্রসমাজ সর্বগ্রাসী শিক্ষা সঙ্কট উত্তরণে রচনা করবে ছাত্র গণআন্দোলন, যা বেগবান করবে সমাজ বিপ্লবের লড়াইকে। এই হোক মহান শিক্ষা দিবসের অঙ্গীকার।

মঙ্গলবার নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে ৫৭তম শিক্ষা দিবস স্মরণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মো. আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, ঢাকা মহানগর যুগ্ম সম্পাদক মো. শামিম ভুইয়া, শ্রম সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, মহিলা সম্পাদিকা সাদিয়া ইসলাম ঈমন, যুব ন্যাপ সমন্বয়কারী বাহাদুর শামিম আহমেদ পিন্টু প্রমুখ।