রোগ নির্মূলে ধূয়া ঔষধ!

রোগ নির্মূল অর্থাৎ সুস্থতা সবার-ই কাম্য। যার জন্য ছুটে যাই চিকিৎসাকের কাছে। সেবন করি ঔষধ, সুস্থতা পেলেও দেহকে নিজের অজান্তে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রয়া উপহার স্বরূপ গ্রহন করতে হয়।এছাড়া প্রাপ্ত সুস্থতা হয়তবা যথাযথ নয়।প্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন ও পরিপূর্ণ সুস্থতায় ধূয়া ঔষধের বিকল্প নেই। প্রশ্ন থেকে যায়, ধূয়া ঔষধ কি ? কিভাবে তৈরী করতে হয় এবং কিভাবে কাজ করে।কোন ভেষজ উদ্ভিদ বা পদার্থের ঔষধি গুন ধূয়ার মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূল করাকে ধূয়া ঔষধ বলে।ধূয়া ঔষধ তৈরীর জন্য একটি তেজপাতা ও তিন আঙ্গুলের তিন চিমটি কালোজিরা ব্যবহার করতে হবে।তেজপাতার পরিবর্তে সাদা অবসেট কাগজ ব্যাবহার করা যেতে পারে।তেজপাতার দুটি ভাজে এক চিমটি কালোজিরা প্রস্থ বরাবর দিয়ে তেজপাতায় ভাজ দিন।এভাবে তেজপাতার তিনটি ভাজে তিনবার কালোজিরা দিয়ে গোল করে একপাশে আগুন দিয়ে সৃষ্ট ধূয়া দেহের ভিতর প্রবেশ করাতে হবে।ছোট শিশুদের ক্ষেএে ঘুমন্ত অবস্থায় নাকের কাছে ধূয়া দিতে হবে। এভাবে ধূয়ার মাধ্যমে
কোন ভেষজ উদ্ভিদ অথবা পদার্থের ঔষধি গুণ মানবদেহে প্রবেশ করিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূল করা সম্ভব।
সৃষ্ট ধূয়ায় মিশ্রিত ঔষধি গুণ মেমব্রেন দ্বারা শোষিত হয়ে নার্ভাস সিষ্টেমের মাধ্যমে সমস্ত দেহে পৌছায় এবং রোগের বিরুদ্ধে প্রায় বিনা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় তুলনামূলক ১ হাজার গুন বেশি সফলতার সাথে কাজ করে।

লেখক: মীর আতিকুর রহমান
যোগাযোগ ০১৭৫৬৪২৬১২৫