শুধু মাত্র ছেলেদের জন্য! আপুরা ভুল করেও তাকাবেন না

দুইজন ভালোবাসার দুটা সমীকরণ দিয়েছেন, সেগুলো তুলে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারছিনা।

শ্রদ্ধা+বিশ্বাস+অনুভূতি=ভালোবাসা।

ঝগড়া+মিটমাট+অনুভূতি=ভালোবাসা।

☞ আপনি কি ভাই খুব ফিটফাট/ গোছালো? প্রথমেই মাইনাছ! কিছুটা অগোছালো, এলোমেলো ছেলেই নাকি সুন্দরী মেয়েদের বেশি পছন্দ! তবে সাবধান! উদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা ছেঁড়া-ফাঁড়া পোশাক বাদ দিন। ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন।

☞ প্রথমে যে মেয়েটিকে পছন্দ করেন তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুন।যখন মেয়েটি আপনার দিকে তাকাবে তখন মেয়েটিকে ইশারা করুন যে ওর গালে কিছু একটা আছে।যখন মেয়েটি তার গাল স্পর্শ করতে যাবে ঠিক তখনই ইশারায় আবার বলুন এই গালে না ঐ গালে।এটা এক অভিনব প্রক্রিয়া।

☞ মেয়ে ভাবলেশহীন ভাবে তাকিয়ে আছে? আপনি উদাসী হউন। নিজের ব্যাপার গুলো ভুলে যান বেশী করে। জ্ঞান ফলান। তবে…হ্যাঁ, আঁতলামি কইরেন না আবার!

☞ মেয়ে যাহাই বলে না কেন তাতে হাঁ তে হাঁ মিলান,তাতে যদি মাঝে মধ্যে মান-ইজ্জত ও যায় কুছ পরওয়া নেহি ।

☞ মেয়েটির সাথে ঐ টপিক নিয়ে কথা বলুন যা মেয়েটি পছন্দ করে।

☞ মেয়েদের সাথে ওদের সম্পর্কে বেশী কথা বলুন।এতে করে মেয়েরা ভাববে যে আপনি ওর প্রতি দূর্বল।

☞ সবসময় মেয়েদের চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন।এদিক ওদিক তাকিয়ে কথা বললে তারা মনে করে,তার সাথে আপনার কথা বলার তেমন কোন আগ্রহ নেই।

☞ সদা সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত থাকবেন।

সাহায্য করতে গিয়া আবার যেন আপনারই কোন কারও সাহায্য না নেয়া লাগে।

☞ মেয়েরা বার্থ ডে,ভালবাসা দিবস এসব প্রেম বিষয়ক বিশেষ দিন গুলোর ব্যাপারে অতি মাত্রায় সিরিয়াস।তাই তাদের বার্থ ডে মনে রাখবেন।আর আন-কমন কিছু গিফট দেয়ার চেষ্টা করবেন।যদি না পারেন একটা লাল গোলাপ নিয়া রোমিও স্টাইলে উইশ করবেন ।

☞ মেয়েরা দলবদ্ব থাকলে পটাতে নাকি সুবিধা হয়।সুতরাং যে মেয়েটিকে পটাতে চান তাকে এট্রাক্ট করার মত কিছু করার চেষ্টা করুন ।

☞ কোন সময় রাগ করবেন না।মনে রাখবেন রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন ।

☞ মেয়েকে পটাইতে চাইলে মেদামরে যথেষ্ট টাইম দেন,পারলে সারাদিন পিছনে সুপারগুলুর মতন পেজগি দিয়া লাইগা থাকেন।

☞ মেয়ে নরম হচ্ছে না? তাকে দাম দিন। প্রশংসা করুন- তবে মেপে মেপে। শরীর নিয়ে ভুলেও প্রশংসা করবেন না। করলে বিপুল মাইনাছ!! তার কাজকে গুরুত্ব দিন। কোন গুণ থাকলে তার প্রশংসা করুন। পোষা প্রাণী থাকলে ওটারও প্রশংসা করুন(আপনার পছন্দ না হলেও!)

☞ মেয়ে বেশি ভাব-গম্ভীর? ঘন ঘন তাকান। বাছাই করা জোক্‌স দিয়ে রসিকতা করুন। হাসুন– হাসতে দিন। হাসি মুখ যে কাউকে আকর্ষণ করে।

☞ মেয়েদের সাথে সব সময় মজার মজার কথা বলবেন, বলা যায় না মেয়ে হয়তো ইতিমধ্যে আপনার উপর পিছলানো শুরু করছে গুরু।

☞ কাজ হচ্ছে না? দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না?? কথার ফাঁকে আপনার চুলে হাত বোলান। আপনার দিকে তাকালে জিভ্‌ দিয়ে ঠোঁট চাটুন (বেশী করা যাবে না।) পশমী বুক থাকলে জামার দু’একটা বোতাম খুলে দিন। ভদ্র ভাবে……… নরম হবেই!!

☞ মেয়ে অতিরিক্ত কঠিন? একেবারেইকাজ হচ্ছে না?? উলটো পথে হাঁটুন। জানেন তো, মাইনাছে মাইনাছে পিলাচ!এইবার দাম কিছুটা কম দেন। অন্য কারো সাথে ক্ষীর খান(মেয়ে হইলে ভালো)!! হঠাৎ দাম কমে গেলে সে কিছুটা জ্বলবেই। জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হতে দিন। পড়ে আগুন নিভে গেলে বুঝবে……… আপনি ছাড়া গতি নাই!!

এগুলোতে কোন কাজই হলো না?????

ভয় পাবেন না। ভাত হাত দিয়ে খাওয়া যায়, আবার চামুচ দিয়াও খাওয়া যায়! অর্থাৎ ঘুরপথে আন্টির কাছে যান। মনে রাখবেন, পরিবারও অনেক সময় পছন্দে প্রভাবফেলে।

☞ প্রতিবার দেখা করার টাইম এ তিনার লাইজ্ঞা গিফট নিয়া যাইয়েন তবে পকেট বুইঝা দিয়েন নাইলে রাইতের বেলা কাইন্দা বালিস ভিজানো ছাড়া আর কোন উপায় আপনার থাকবে না।

☞ কোন রকম ভনিতা না করে সহজভাবে বলতে হবে “I love you”

☞ “তাকে তুমি আমার জান, আমার প্রাণ, আমরা মুরগির রান” জাতিও কথা বইলা ফুসলান ।

☞ সাথে সাথে তুমি আমার কারিনা , ক্যাটরিনা বলেও পাম-পত্তি দেন।

☞ তাগো সামনে খালি হিরো সাজতে চাইবেন , কামটা পারেন আর না পারেন।

☞ আপনার আইটেম সাথে থাকলে ভুলেও অন্য কোন মাইয়ার দিকে ভুলেও তাকাবেন না,নাইলে কিন্তু গেম ওভার হয়ে যাবে।

☞ আন্টিকে কদমবুচি করেন। শরীর-স্বাস্থ্যে র খবর নেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। তবে সাবধান!! এতক্ষণ মেয়েরসাথে যা যা করছেন……… আন্টির সাথেআবার রিপিট মাইরেন না! তাইলে আমারলেখা পুরাই ব্যর্থ!!

মা মেয়ের চেয়ে আরো বেশী কঠিন??

কিন্তু মেয়েটা যে বেশী জটিল!! এর সাথেই ভাঁজ খাইতে মনে চায়!!!

তাইলে আর কি? শেষ ভরষা……… তাহার পিতা!

☞ এইবার ভুলেও উদাসী পাট লইয়েন না। ফিটফাট হইয়া যান। কদমবুচি রিপিট লন। শরীরের খবরও লন। এরপর ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার মত পিতারপছন্দের কোন বিষয়ে কথার আরম্ভ কইরা দেন। সামনে নাশতা আসছে? খাওয়ার কথা ভুলে যান! খালি উৎসাহী বদনে শুনে যান। গাম্ভীর্য