ভাগ্যে থাকলে ঠেকায় কে..!

শতযুগ ধরে মেয়েদের নিয়ে কত গল্প উপন্যাস আর কবিতা লেখা হয়ে আসছে। মেয়েদের দীঘল কাল চুল আর কাজল কালো চোখ। আবার কারো কাছে হরিনি চোখ আর কারো কাছে মায়াবী। মেয়ের পায়ের নুপুর নিয়ে কত গান,মেয়ের নগ্ন পায়ের চলন নিয়েও কত চিন্তা চেতনা। আর যখনই মেয়েদের কথা বলা হয় তখনই যেটা সবার প্রথম মনে উঁকি দেয় তা হল প্রেম-ভালবাসা ।

আসলে ভালবাসা তো সবখানেই। শুধু ধরণটা আলাদা। মা আর সন্তান, ভাই বোন, জিগরি দোস্ত। ভালবাসা এমন এক জিনিস যেকোন সময় যে কারো জন্য তৈরি হতে পারে। পথের মানুষের প্রতি ভালবাসা। কেউ বা আবার গাছ ভালবাসে আবার কেউ পশু। এমনকি পশুদের মাঝেও আছে ভালবাসা।

তবুও এইসব ভালবাসাকে উপেক্ষা করে যেটা মানুষের কাছে মুখ্য হয়ে উঠে তা হল একজন ছেলে মেয়ে যাদের মাঝে বিয়ের সম্পর্ক সম্ভব তাদের ভালবাসা। সেখানে বয়স, ধর্ম, গোত্র, চেহারা এমনকি ভাষাও কোন ব্যাপার না। এই ভালবাসার হাত থেকে তো নবী হওয়া সত্ত্বেও ইউসুফ নবী বাচতে পারেননি। সম্রাটের স্ত্রী যাকে জুলেখা (আসল নাম মনে আসছেনা। তার অন্য একটা নাম আছে যা ধর্মগ্রন্থে পাওয়া যাবে) বলা হত সে ইউসুফ আঃ এর প্রেমে পড়েছিলেন। নবী হবার কারনে স্বাভাবিক ভাবেই এইসব তাকে কখনও আকৃষ্ট করতে পারেনি। কিন্তু নারীর এমন ভালবাসা শেষে সফল হয়েছিল। শেষ বয়সে তাদের বিয়ে হয়েছিল। শাহজাহান স্ত্রীর প্রেমে গড়ে ছিলেন তাজমহল। আজকের দিনে বলিউডের কিং শাহরুখ খানের ভালবাসাও ছিল ভিন্ন ধরনের।

যাই হোক এই কথাই বলতে চাচ্ছি যে এই প্রেম ভালবাসার বিষয়টা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আর নারীর প্রতি পুরুষের এক আকর্ষন সেটাও জন্ম আজন্ম ধরে চলে আসছে। আর এরই ফলস্বরুপ আপনি নিজেও কারো না কারো সাথে প্রেম করেন বা কারো প্রেমে পড়েছেন বা কারো প্রেমে পড়বেন। স্কুল জীবন থেকে দেখে আসছেন ক্লাসের কোন মেয়ের প্রতি আপনার দুর্বলতা বা পাড়ার কোন মেয়েকে আপনি চুপ চুপ করে দেখছেন বা বন্ধুর প্রেমিকাকে নিয়ে আপনি স্বপ্ন দেখছেন ।

আগেকার দিনে প্রেম করা যেমন কঠিন ছিল তেমন সেই প্রেম ভুলাও কঠিন ছিল । সমাজ তখন এর পুরোই বিপরীতে ছিল যা আজকের দিনে অনেক অনেক কমে গেছে। বাবা মা ছেলে মেয়ের পছন্দকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

কিন্তু এই আজকের দিনে প্রেমের গুরুত্বটা কমে গেছে অনেকাংশে। এই জন্য আজ দেখা যায় একই সাথে অনেকগুলি প্রেম করতে। তাহলে সেটা নিঃশ্চয় ভাল লাগা বলা যাবে না। আসলে এটা একটা খেলার মত।

তবে আজও যে আপনি সত্যি ভালবাসা পাবেন না তা নয়। আজও হচ্ছে। আজও কেউ কারো জন্য নীরবে নিভৃতে কাদছে ।

এখন যে যে ভাবেই প্রেম করুক সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তবে সবার এই ব্যাপারে খেয়াল করা উচিত কেউ যেন আমাকে সারা জীবন মনে করে কষ্ট না পায় । কেননা এই জীবন এই যৌবনের স্বাদ সারা জীবন পাবেনা। কিন্তু ভালবাসা সারা জীবন আপনাকে মজা দিতে থাকবে। যৌবন খুজে খুজে পাবেন ভালবাসার মাঝেই।

তো শুরু করা যাক। কিভাবে হতেও পারে আপনার ভালবাসার শুরু। আর শেষটা তো আপনার হাতে।

মেয়েদের মন বুঝা বড়ই কঠিন কাজ । এখানে সেখানে যতই বলা হোক যে মেয়ে পটানো খুব সহজ আসলে ব্যাপারটা তা নয়।

প্রথমত একটা কথা যে মানুষের দৃষ্টি হল প্রেমের প্রথম রাস্তা। রাস্তায় কোন মেয়েকে দেখে ভাল লাগে আর এতেই আপনি তার পিছু নেন স্কুল কলেজ এমনকি তার বাড়ি পর্যন্ত। তো আপনার যেহেতু তাকে ভাল লাগে তো তাকেও তো আপনার ভাল লাগতে হবে। নাকি অগোছালো ভাবে চলে গেলন আর বলে দিলেন তাকে আপনার ভাল লাগে। তাই আপনার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া জরুরী। এর জন্য আপনাকে বুঝতে হবে কি ভাবে ড্রেসআপ করলে আপনাকে ভাল লাগে। চুল কিভাবে কাটলে ভাল লাগে।গায়ে গন্ধ আছে কিনা। ব্রাশ নিয়মিত হয় কিনা বা হলেও বন্ধুরা মুখের গন্ধে কাছেই আসেনা তাইলে তো মেয়ে আগেই । সবাই তো আর শাহরুখ হয়ে জন্মায় না । তাই বলে কি সবাই প্রেম করে না। সুতরাং নিজের দিকে নিজে খেয়াল করুন। নিজেকে আরো একবার আবিষ্কার করে দেখুন।

দ্বিতীয়ত সাহসী হয়ে উঠুন । তবে সাহসী হয়ে মারপিট করতে যাবেন না। কেননা আপনার এর চেয়ে আরও সাহস দরকার। কেননা তার সাথে আপনাকে পরিচিত হতে হবে। এর জন্য আপনাকে একটু চালাক হতে হবে। কেননা আমি জানিনা আপনি কাকে ভালবাসুন আর তার সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন। তার সাথে আপনার বয়সের পার্থক্য কত। এগুলি আপনার কাজ যে কিভাবে তার সাথে কথা বলবেন। কিভাবে ঘনিষ্ঠ হবেন।

তৃতীয়ত তাকে বুঝতে শিখুন। আপনি যদি তার সাথে কথা বলতে পারেন তো সেটা সে কিভাবে নিচ্ছে। আগেই বলেছি মেয়েদের বুঝা একটু কঠিন। সে হয়ত আপনাকে বুঝতে দিবেনা অনেক কিছুই। আর যদি কথা এখনও বলতে না পারেন তো তার দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করুন। আর ভাবুন কিভাবে কথা বলবেন।

চতুর্থত আপনি তার সাথে কথা বলে ফেলেছেন। কি বলেছেন সেটা আমি জানিনা। তবে নিঃশ্চয় প্রেমের প্রস্তাব দেননি। কেননা যদি না আপনি দেখতে শাহরুখ বা সালমানের মত না হন তবে রিজেক্ট হবার সম্ভাবনা আছে। এবং পরে হয়ত ট্রাই করলে খুব একটা কাজ হবে না। দেখুন না যদি আপনার খু

এই বিভাগের আরো সংবাদ