স্টার্ক-কামিন্সদের পেস সামলাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাদা; নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাট হেনরি, লকি ফার্গুসন, ট্রেন্ট বোল্ট; স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মার্ক উড, জোফ্রা আর্চার এবং সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওশানে থমাস, শ্যানন গ্যাব্রিয়েল ও আন্দ্রে রাসেল- বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম চার ম্যাচেই নামী গতি তারকাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে।

বিশ্বকাপ খেলতে ইংল্যান্ডে যাওয়ার আগেই অবশ্য এটি জানা ছিলো পুরো দলের। তাই তো গতিময় ডেলিভারি ও বুক-মাথা বরাবর ধেয়ে আসা বাউন্সারের জন্য আলাদা কাজও করেছেন সাকিব-মুশফিকরা। যার ফল পাওয়া গেছে প্রোটিয়া ও ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে।

এমন নয় যে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গতির কাছে পরাস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। এ দুই দলের পেসাররা সিংহভাগ উইকেট নিলেও, তাতে দায় ছিলো টাইগার ব্যাটসম্যানদেরই। ভালো শুরুর পর হুট করে উইকেট বিলিয়ে আসায় সে দুই ম্যাচে আশানুরূপ ব্যাটিং হয়নি বাংলাদেশের।

তবু দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পেসারদের ভালোভাবেই সামলেছেন সাকিব, মুশফিক, লিটন, সৌম্যরা। তাদের বিপক্ষে ভালো ব্যাটিং করে জানান দিয়েছে এখন আর পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে ভয় পায় না বাংলাদেশ। সাহসী ব্যাটিংয়ে যথাযথ জবাব দিতে কোনো দ্বিধা নেই ব্যাটসম্যানদের।

আর সে সাহস থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগেও আত্মবিশ্বাসী দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সাকিব আল হাসান। তার মতে আগের ম্যাচগুলোতে ভালোমানের পেসারদের সামাল দেয়ায়, অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্সদের খেলতে খুব একটা সমস্যা হবে না।

বরং বৃহস্পতিবারের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের সামাল দেয়ার জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছেই বলে মনে করেন সাকিব। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে স্মরণীয় জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন, ‘আমরা আগের তিন ম্যাচেও বিশ্বমানের ফাস্ট বোলারদের মোকাবিলা করেছি। আজও খেললাম বেশ কয়েকজন দ্রুতগতির বোলারদের বিপক্ষে। কাজেই অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলারদের নিয়ে তেমন কোনো ভয় নেই। এ পর্যন্ত যে ৪টি ম্যাচ খেলেছি, প্রতি দলেই অন্তত দুজন করে ১৪০+ গতিতে বল করা বোলার ছিল। কাজেই আমার মনে হয়, এখন আমরা দ্রুতগতি ও মানসম্পন্ন ফাস্ট বোলিং মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত আছি।’

এসময় নিজ দলের বোলিং নিয়ে বাংলাদেশ সহ-অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের বোলিং এটাক যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ আমার মতে। হয়তো অসাধারণ বা বিশ্বমানের গতিতারকা আমাদের নেই, তবে যারা আছে, তারা অত্যন্ত কার্যকর এবং বেশ ভালো। আমরা এ বোলিং নিয়েই সাফল্য পাই।’

এই বিভাগের আরো সংবাদ