ঘুষ বাণিজ্যের মহা আঁখড়া লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয় : পর্ব ১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
অনিয়ম, দূর্নীতি আর ঘুষ বাণিজ্যের মহা আঁখড়ায় পরিণত হয়েছে লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয়। গ্রাহক হয়রানি করে অনৈতিক ভাবে টাকা (ঘুষ) আদায় করা এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাছে এখন ওপেন সিক্রেট! তবে নিজ হাতে ঘুষ গ্রহণ করলেও কোন কিছুতেই বিচলিত নয় এই প্রতিষ্ঠানটির সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন।

ভুক্তভোগীরা জানায়, লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষানবিশ লাইসেন্স (লার্নার), স্মার্টকার্ড, লাইসেন্স নবায়ন, পেশাদার ড্রাইভিং, ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রাপ্তি কিংবা গাড়ীর লাইসেন্স করতে হলে দিতে হয় অতিরিক্ত টাকা। রোড পারমিট, ফিটনেস নিয়ে যান মালিকদের দিনের পর দিন হতে হয় অসহনিয় হয়রানি শিকার। এ কার্যালয়ে দালাল ছাড়া কোন ফাইল গ্রহণ করে না সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন। প্রায় প্রতিটি কাজে আনোয়ার হোসেনকে সহযোগীতা করেন স্থানীয় দালাল চক্র এবং ওই প্রতিষ্ঠানটির মোটরযান পরিদর্শক জাহাঙ্গির আলম।

লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনোয়র হোসেন জানান, এ প্রতিষ্ঠানে নগদ টাকা নেওয়ার কোন নিয়ম নেই। তবে কার্যালয়ের বাহিরে দালাল চক্র যদি কাউকে হয়রানি করে সে ক্ষেত্রে আমাদের করার কিছু থাকে না।
—চলবে