কয়েক ঘন্টার মধ্যে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ফণী : লক্ষ্মীপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক :  

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী’র আগমন বার্তা জানিয়ে লক্ষ্মীপুরে আকাশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও হালকা বাতাস বইছে। তাপদাহ ও গরম শেষে সকাল পৌনে ৯টা থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। এতে স্বস্তির পরিবর্তে বেড়েছে ফণীর তাণ্ডব ভীতি।

৩ মে শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে বৃষ্টি শুরু হয়। একই সঙ্গে বইছে ঠাণ্ডা বাতাস। ফলে সকাল থেকে বাহিরে বের হতে পারছেন না অনেকেই।

সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ফণীর লক্ষণ শুরুর সেই বিপদ সংকেত ঘোষণার পর থেকে সারাদেশের মতো লক্ষ্মীপুরের মানুষের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে মেঘনা নদীর তীরবর্তী রামগতি, কমলনগর, রায়পুর ও সদরের মজু চৌধুরীর হাট এলাকার সাধারণ মানুষ শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ভারি বা অতিভারি বৃষ্টির সম্ভবনায় বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কিত তারা

এদিকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী এগিয়ে আসায় লক্ষ্মীপুরে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে মেঘনা উপকূলীয় এলাকার জনসাধারন, মেঘনায় অবস্থানরত জেলে ও নৌকাসহ সকল ইঞ্চিন চালিত ট্রলারকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে ৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়। রেড ক্রিসেন্ট কন্ট্রোল রুম নাম্বার ০১৬২৫৪২১২৭২।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের ঝূঁকিতে থাকা মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চল লক্ষ্মীপুরে ১০০টি আশ্রয়ন কেন্দ্রকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে ৬৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। মজুদ করা হচ্ছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি এবং অন্যান্য ছুটি বাতিল করে তাদেরকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি কন্টোল রুম খোলা হয়েছে।

এছাড়া রেডক্রিসেন্ট, ফায়ার সার্ভিস ও কোষ্টগার্ডসহ আইনশৃংখলা বাহিনীকে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।