সাকিব মানুষের সহানুভূতি নিয়ে খেলতে শেখেনি

আমার সত্যিই সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে কিছুই বলার নেই যে, কেন তাদের সাকিব আল হাসানের ব্যাপারে এতো আপত্তিকর অবস্থান। আমি মনে করি, এটা আমাদের দোষ। আমরা কখনো তাদের দুপুর বা রাতের খাবারের জন্য দাওয়াত দেইনি কিংবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের সঙ্গে বসে আড্ডা দেইনি। তাদের ভেতরের খবর বলিনি।

সাকিব এই পর্যায়ে আসতে অনেক পরিশ্রম করেছে ছোটবেলা থেকেই। বিকেএসপিতে পড়ার সময় সে শুধু ক্রিকেটেই মনোযোগ দিয়েছে, মানুষের সহানুভূতি নিয়ে সে খেলতে শিখেনি। আমার মনে হয়, এটাই তার শেখার দরকার ছিল। এ জন্যই হয়তো তার ইতিবাচক দিকটা কম চোখে পড়ে। সে লোক দেখানোর জন্য ভালো কাজ করে না।

এখন কথা উঠেছে যে সাকিব কেন দলের বিশ্বকাপ ফটোসেশনে উপস্থিত ছিল না। প্রথমত এটা তার ভুল যে সেখানে উপস্থিত হতে পারেনি। তবে সে ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করেনি। সে বার্তাটি পড়তে ভুল করেছিল। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সাকিব। আমিও দুঃখিত যে সেটার প্রমাণস্বরূপ আমরা কোনো ভিডিও করিনি।

দ্বিতীয়, বিষয় এই গ্যালারি অতিক্রম করে দুইজন সাংবাদিকের সঙ্গে একটি শো তুলে ধরে যে তাকে অনেক অযৌক্তিক কথা বলা হয়েছে। যে অনেকের মধ্যে একটি হলো ‘তিনি খ্যাতির জন্য এটা করছেন’ ভাই যদি আমি ভুল না হই শেষ জিনিস তার দরকার। হয়তো এটা অন্য উপায় হয়তো। আপনি নেতিবাচক কথা বলে খ্যাতি অর্জন করতে চান। কারণ এটা লাভজনক! এখন যদি এটা তার আচরণের ব্যাপারে কোন খেলোয়াড়কে জিজ্ঞাসা করে কিভাবে সে মাঠের বাইরে এবং মাঠে! বিশ্বকাপ সামনে তাকে আরও কিছু দিতে দাও। আর যা বলা হচ্ছে এটা বলার জন্য বলা হচ্ছে। (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার বিশ্বকাপ খেলতে ইংল্যান্ড যাওয়ার আগে মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বাধীন দল মিরপুরে অফিসিয়াল ফটোসেশনে অংশ নেয়। সেখানে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনসহ বিশ্বকাপ দলের সব ক্রিকেটার উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সাকিবকে ফোন দেয়ার পরও তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিসিবি সভাপতি।

সংবাদ মাধ্যম সেই নিউজটি প্রকাশের পর সাংবাদিকদের নিয়ে এমন মন্তব্য করেন শিশির।