লক্ষ্মীপুরে পালন হয়নি ব্ল্যাক আউট কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কালরাতের প্রথম প্রহর স্মরণ করে গনহত্যা দিবসে (২৫ মার্চ) এক মিনিট অন্ধকারে (ব্ল্যাক আউট) থাকার কথা ছিলো। কিন্তু রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত লক্ষ্মীপুরের কয়েকটি অফিস ছাড়া অন্য কোথাও প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি যথাযথভাবে কর্মসূচিটি পালন করেছেন।

জানা যায়, গত ১১ মার্চ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কর্মসূচিটি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে মন্ত্রিপরিষধ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, তথ্য মন্ত্রাণালয়, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক (সকল) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (সকল)।

আরো জানা যায়, কেপিআইভুক্ত এলাকা (জরুরি স্থাপনা) ও চলমান যানবাহন ছাড়া সারাদেশের মানুষ এ সময় দাঁড়িয়ে ও সব আলো নিভিয়ে একসঙ্গে নীরবতা পালন করবে। গোটা জাতি গভীর শ্রদ্ধা আর অবনতমস্তকে স্মরণ করবে সেই মানুষদের, যারা একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানিদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন।

এবিষয়ে স্থানীয়রা জানান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহুর্তে ২৫ মার্চ বিভীষিকাময় কালরাতে পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম গণহত্যার নজির স্থাপন করেছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী। সেই রাতের শহীদদের স্মরণে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু লক্ষ্মীপুরের এ কর্মসূচি সংশ্লিষ্টরা পালন করেনি। তবে কয়েকজন নিজ নিজ উদ্দ্যোগে কর্মসূচিটি পালন করেছেন বলেও জানা যায়।

এ ব্যাপারে জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর নির্বাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) ফাওজুল ইসলাম শাকের বলেন, প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালনের লক্ষ্যে তার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় লাইটিং লোড বন্ধ করেছেন। তবে তিনি, নিজ কার্যালয়, জেলা প্রশাসক ও সার্কিট হাউজ ছাড়া অন্য কোন কোন যায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করেছেন তা সঠিকভাবে বলতে পারেননি এই প্রতিবেদককে।

সরকারি কয়েকটি অফিস ছাড়া অন্য কোথাও কর্মসূচিটি পালন করা হয়েছে? এমন প্রশ্নে জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো: শাহজাহান কবীর বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথভাবে কর্মসূচিটি পালন করেছেন। আর সর্বত্র আলো বন্ধ করলেতো সব অন্ধকার হয়ে যাবে, তাই করা হয়নি।

শীর্ষ সংবাদ/এফএইচ