লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্টের অনিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক :

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট মো. মনজুরুল ইসলাম রাসেলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তার অনিয়মের ফলে যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগী ও স্থানীয় মানুষজন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ অনেকেই ফার্মাসিস্ট রাসেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে রবিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। দুপুর ১২টার দিকে অফিসে প্রবেশ করে ফার্মাসিস্ট মনজুরুল ইসলাম। এরপর পিয়নের মাধ্যমে পাশের রুম থেকে হাজিরা খাতা এনে এক সঙ্গে দুই দিনের উপস্থিতি দেখিয়ে স্বাক্ষর করেন। তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ পিয়ন লোকটির উপরও চড়াও হন তিনি। একই সঙ্গে কর্তব্যরত অন্যান্যদের সঙ্গেও বাজে আচরণ করেন।

রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, ডাক্তার ঔষুধ লিখে দিছেন। কিন্তু ফার্মাসিস্ট না থাকার কারণে এখনো ঔষুধ পাই নি। প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটে। আবার ফার্মাসিস্ট থাকলেও ঔষুধ পেতে মাঝেমধ্যে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও বলেছেন ফার্মাসিস্ট মনজুরুল ইসলাম রাসেলের অনিয়ম এবং খামখেয়ালিপনার কথা।

জানতে চাইলে চন্দ্রগঞ্জ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট মনজুরুল ইসলাম রাসেল বলেন, অভিযোগের বিষয়টি সত্য নয়। তবে আজকে অফিসে আসতে আমার দেরি হয়েছে এটা সত্য। প্রতিদিন ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আমার ডিউটি। আমার অফিসে আসতে দেরি কিংবা অনুপস্থিতির বিষয়টি আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

অথচ তিনি ওইদিনই দুপুর দেড়টার পর ফার্মাসিস্ট মনজুরুল ইসলাম রাসেলকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাওয়া যায় নি।

চন্দ্রগঞ্জ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মাকসুদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন সময় ফার্মাসিস্ট মনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন রোগীরা। অভিযোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।