রূপবতী ও শাড়ি রুপে

নারী মানে শাড়ি। আর নারী দের কে যে পছন্দ করতে যাক না কেন নারী কে শাড়ি তে প্রথম দেখে। এখন সবাই নাকি মডান। কেউ বলে শাড়ি পরে না । শাড়ি পরার চল নাকি উঠে গিয়েছে-এমন মন্তব্য প্রায়শই শোনা যায়। কিন্তু প্রতি বছর যে এত শাড়ি উৎপাদন হচ্ছে এবং বিক্রি হচ্ছে সেগুলো তাহলে কোথায় যায়। আসলে শাড়ি পরার হার বেড়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে আপাত দৃষ্টে শাড়ি পরার হার বেড়েছে এমন ধারণাই পাওয়া গেল।
এখন উৎসব মানেই শাড়ি। অফিসেও শাড়ি পরে যাওয়ার হার বেড়েছে। অফিসে যাওয়ার জন্য সবাই সব ধরনের শাড়ির মধ্যে হাফসিল্ক কেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।

মেয়েরা প্রতিদিন স্যালোয়ার-কামিজ পরে অফিসে গেলেও দাওয়াত বা অন্য আয়োজনে শাড়িই তার প্রথম পছন্দ। সুতি শাড়ি পরতে ভীষণ ভালো লাগলেও বিশেষ উৎসব ছাড়া পরা হয় না, কারণ শাড়ি ধুয়ে, মার দিয়ে, আয়রন করে রাখা বেশ ঝক্কির। বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকেন জামদানি সামলানো নিয়ে। সময় করে বের করে রৌদে দেওয়া। কাটা করানো। মাসে অন্তত একবার এগুলো করা বেশ ঝক্কির। তাই সব স্থানে হাফসিল্কই ভরসা। এতে ব্লক বা হালকা হাতের কাজে আপত্তি নেই

অনলাইন ভিত্তিক আরেকটি জনপ্রিয় শাড়ির আউটলেট ‘জারবারা ফ্যাশান ’। প্রতিনিয়তই নানা রকম শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। এর কর্ণধার বৈশাখী আহমেদ নিজেই তৈরি করছেন এইসব এক্সক্লুসিভ শাড়ি। । তিনি জানালেন, সুতি শাড়িতেই বেশি কাজ করতে পছন্দ করেন তিনি। তার নিজস্ব ক্রেতারা সুতি শাড়িতে ন্যাচারাল ডাই, ব্লক, সবই করেন। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী হাফসিল্কও তৈরি করেন।