লক্ষ্মীপুর যুবসমাজের অহংকার সালাহ্ উদ্দিন টিপুকে আবারও চায় সদরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই চায়ের দোকান, পাড়া মহল্লায়, মাঠঘাট, হাটবাজারে সর্বত্র সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে সরগরম আলোচনা। এ আলোচনায় সবার একটাই চাওয়া সালাহ্ উদ্দিন টিপুকে পুনরায় দলীয় মনোনয়ন নিয়ে উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে। কারন সালাহ্ উদ্দিন টিপু নির্বাচিত হলে উপজেলার সর্বত্র বাড়বে শিক্ষার মান, উন্নয়ন হবে গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট, দূর হবে সামাজিক অস্থিরতা, বন্ধ হবে বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রথা।

ইতিমধ্যে দলমত নির্বিশেষে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা সালাহ্ উদ্দিন টিপুর সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় ব্যানার ফেস্টুন লাগিয়েছেন। কেউবা টিপুকে পুনরায় দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা ঝড় তুলছেন।

সালাহ্ উদ্দিন টিপু ১৯৯০ সালে ছাত্ররাজনীতি শুরু করে। সর্বপ্রথম ১৯৯১ সালে প্রথম পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য এবং ১৯৯৬-৯৭ সাল মেয়াদে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন।

ছাত্রদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করায় সালাহ উদ্দিন টিপুকে ১৯৯৮ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনোনীত করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ২০০৩ সাল পর্যন্ত দক্ষতার সহিত জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করার পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের লিয়াকত শিকদার ও নজরুল ইসলাম বাবু পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

জেলা যুবলীগের ১ম যুগ্ন আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১২ সালে। ২০১৬ সালে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হিসাবে মনোনীত হন। এরপর জেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন ২০১৭ সালে।

বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু তাহেরের মেজো ছেলে সালাহ্ উদ্দিন টিপু। টিপুর মা’ নাজমা সুলতানা জেলা মহিলঅ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা ছিলেন। বাবা আবু তাহের জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়রসহ আরো তিন মেয়াদে মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

সালাহ্ উদ্দিন টিপু বলেন, চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর উপজেলার সর্বত্র মানসম্মত শিক্ষার উন্নয়ন, স্যানিটেশন, গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক অস্থিরতা দূরীকরণ, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ করাসহ উপজেলার ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করতে ও সদর উপজেলা বাসীর আশা আকাংখা পুরনের জন্য চেষ্টা করেছেন। যার ফলে দলমত নির্বেশেষে উপজেলার জনসাধারণেল মধ্যে রয়েছে তাঁর গ্রহনযোগ্যতা। তাই তিনি মনে করেন এবারো দলীয় মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করবেন।

শীর্ষ সংবাদ/এফএইচ