একজন অসুস্থ মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

Print Friendly, PDF & Email

ছোট্র শিশু বাবুল মিয়া, এবার ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ে। জম্মের পর পরই বাবার স্নেহ বঞ্চিত হয় বাবুল। বিপথগামী বাবা ছোট্র শিশু বাবুল ও তার মা শাহেনুরকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করে চলে যায়। এর পর থেকে একটি বারও স্ত্রী ছেলে সন্তানের খোঁজটুকুও নেয়নি। নিরুপায় মা শাহেনুর অতি কষ্টে অনাহারে অর্ধাহারে থেকে বুকের ধন বাবুল মিয়াকে আগলে রেখেছিল এতদিন। সারাদিন এর বাড়ি ওর বাড়ি কাজ করে যে টুকু খাবার যোগাড় করতে পেরেছে তার ভালোটুকু নিজে না খেয়ে বুকের ধন বাবুলের মুখে তুলে দিতেন। স্বপ্ন ছিল একদিন বাবুল বড় হয়ে মায়ের সব দুঃখ মুছে দিবে। বাবা নেইতো কি হয়েছে মা তো একাকী বাবুলের বাবা ও মায়ের দায়িত্ব পালন করে আসছিল এতদিন। কিন্তু সে মা আজ নানা রোগে শোকে কাতর হয়ে মৃত্যুর পথ যাত্রী। সর্বশেষ শাহেনুরের মস্তৃস্ক বিকৃতি ঘটেছে। যে মায়ের আদরে এতদিন বড় হয়েছিল বাবুল সে মায়ের কাছে এখন বাবুলও অচেনা। মানুষিক রোগী মাকে চিকিৎসা করানোর সাধ্য ও সামর্থ কোনটাই নেই বাবুলের। কোথাও শ্রম দিয়ে কাজ করে বাবুল তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করানোর মত বয়স ও সাধ্য কোনটাই তার হয়নি এখনো। নানার বাড়িতে আশ্রয় নিলেও বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ও হত দরিদ্র নানার পক্ষে যে খানে মেয়ে ও নাতির পেটে দৈনিক ৩ বেলার পরিবর্তে এক বেলা আহার যোগানো দায় সে অসহায় নানার পক্ষে মায়ের চিকিৎসা করানো কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তবুও নিজের মেয়ে বলে কথা বিভিন্ন জনের দুয়ারে গিয়ে হাত পেতে তিনি ছুটে চলছেন চিকিৎসকদের কাছে। সর্বশেষ তিনি নোয়াখালীতে মানষিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে নিয়ে চিকিৎসা করানো শুরু করেছেন। কিন্তু যে খানে যাতায়াতের ভাড়া যোগনোই নানা নুর নবীর পক্ষে সম্ভব হয়না সেখানে ডাক্তারের ভিজিট,ঔষধ কেনার টাকা যোগাড় করা কত বড় কঠিন তা অসহায় বৃদ্ধ নানাই জানে। নিজের মেয়ের অসুস্থতা, নাতির কোমল মতি মুখ, নিজের অসহায়ত্বের কারনে নানা নুর নবীর কাছে এখন দু-চোখের নোনা জল ছাড়া আর যেন কিছুই নেই। সহায় সম্বলহীন অসহায় নুর নবীর বক্তব্য আমার একটি কিডনী নিয়েও যদি কেউ আমাকে কিছু টাকা দিত আমি তা দিয়ে আমার মেয়ে শাহেনুরের চিকিৎসা করায়ে তাকে সুস্থ করে তুলতাম। চিকিৎসার অভাবে আমার মেয়েটির রোগ বেড়েই চলছে দিন দিন। মৃত্যুর পথযাত্রী হচ্ছে শাহেনুর প্রতিদিন।কান্না জড়িত কন্ঠে ছোট্র শিশু বাবুল যাকেই কাছে পায় তাকেই প্রশ্ন করে কাকা আমার মা কি সুস্থ হবেনা? আমার মা কি বাঁচবেনা? আমার মা যদি মরে যায় তাহলে আমি কার কাছে থাকবো। কাকা আমার মাকে বাঁচান।

প্রিয় পাঠক, এতক্ষন ধরে যে মা ও অনাথ শিশু বাবুল মিয়ার কথা বলা হয়েছে তাদের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দূর্গম চর চর মনসা গ্রামে। চরমনসা গ্রামের এই অসহায় শিশু ও অসুস্থ মাকে বাঁচাতে নিজের মায়ের কথা মনে করে নিজের সন্তানের কথা মনে করে নিজের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। আপনার দেওয়া সামান্য অর্থও আপনার মা এবং সন্তানের সুস্থতার বিনিময় হতে পারে। আপনার পদেয় সামান্য অর্থও বাবুলের মায়ের সুস্থতা ও বাবুলের বেঁচে থাকার অবলম্বন হতে পারে। আপনার সহায়তা পৌছে দিন বিকাশ নাম্বার ০১৮৪-৯৫১৭৮৭৭