কেমন হতে পারে লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ?

লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

বিভিন্ন জেলায় এবং ঢাকায় শহীদ মিনার কেন্দ্রীক শিল্প সংস্কৃতির চর্চা হয়। কিন্তু লক্ষ্মীপুর বরাবরই সব দিকে পিছিয়ে। জেলা শিল্পকলা একাডেমী রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহার হওয়ায় শিল্প সংস্কৃতিমনাদের সময় কাটানোর মতো জায়গা নিতান্ত নেই বললেই চলে এখানে।

লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার একটি গুরুত্বপূর্ন স্থান। অথচ বছরের এক বার ২১ফেব্রুয়ারি আসলে এটি ব্যবহার হয়। তখন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। আর বাকি সারা বছর পড়ে থাকে অবহেলায়, অপরিষ্কার ভাবে। গড়ে উঠে মাদক সেবনকারীদের আড্ডা খানা। আর ক্রিকেট খেলার মাঠ। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক লাইটের ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর অন্ধকারে সৃষ্টি হয় ভুতুড়ে পরিবেশ।

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে প্রগতিশীলরা চায় একটু আড্ডা দিতে। সংস্কৃতি কর্মীরাও তাদের সন্ধ্যার সময়টুকু অতিবাহিত করতে চায় খোলামেলা, সুন্দর, নির্মল পরিবেশে। এজন্য এখানে শহীদ মিনারই সুন্দর জায়গা। যেখানে চেতনাও একটি বিশাল ব্যাপার।

কিন্তু এই শহীদ মিনারে কাঙ্খিত তেমন কিছু নেই বলে উল্লেখ করেন লেখক। তবে তিনি সমস্যাগুলো সমাধানের কয়েকটি উপায় ও লিখেছেন, যা নিম্মরুপ।

শহীদ মিনারকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে যদি ভালো কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে রুপান্তর করা যায়, তাহলে এর ব্যবহারের ফলে এটি থাকবে প্রাণোচ্ছল। তাই যদি পুরো শহীদ মিনার কে দৃষ্টিনন্দন লাইটের আওতায় আনা যায়, তাহলে শহীদ মিনারের সুন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে, সংস্কৃতি কর্মীসহ সুশীল সমাজের লোকজনও একটু সময় কাটাতে শহীদ মিনার মুখি হতো। বখাটেদের আড্ডা কমে গিয়ে শহীদ মিনার গড়ে উঠতো শিল্প সংস্কৃতি মুখি। তাই এ ব্যাপারে সংস্কৃতি কর্মী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

(লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : রাজিব হোসেন রাজু, সংস্কৃতি কর্মী ও সাংবাদিক

শীর্ষ সংবাদ/এফএইচ