রায় ঘিরে সারা দেশে রেড অ্যালার্ট

Print Friendly, PDF & Email

ভয়াবহ বর্বরোচিত ও নৃশংস ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় আনা পৃথক মামলার রায় হবে আজ বুধবার। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ওই রায়ের অপেক্ষায় দেশবাসী। তবে বহুল আলোচিত ওই রায়কে ঘিরে সারা দেশে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

এছাড়াও বুধবার সকাল থেকে রাজধানীতে প্রবেশের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ কড়াকড়ি। রায়ের আগে ও পরে সারা দেশে নেয়া হয়েছে চার স্তরের বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা।

তবে রায়কে ঘিরে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

তিনি বলেন, এটি আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমের একটি অংশ। আমাদের নজরদারি রয়েছে, আমরা সতর্ক রয়েছি। আমরা প্রস্তুত আছি যাতে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো অপচেষ্টা করতে না পারে। রায়কে ঘিরে কোনো ধরনের নৈরাজ্য বরদাস্ত করা হবে না।

নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে কমিশনার বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ তার সাংবিধানিক এবং আইনি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সকলের জানমালের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

বুধবার পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন আলোচিত ওই রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ঠিক করা হয়।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ, পৈশাচিক, নারকীয় ও বর্বরোচিত এই গ্রেনেড হামলার বিচারের জন্য দেশবাসীর প্রতীক্ষার অবসান হবে এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে।

ওই ঘৃণ্য হামলার পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিলল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হয়, আহত হয় ৫ শতাধিক।

আসামিদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর অন্যতম।