শিক্ষা ক্যাডারে অবৈধ আত্তীকরণ: সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র নয়তো?

Print Friendly, PDF & Email

Image result for শিক্ষা ক্যাডার

মো: আক্তারুজ্জামান :

দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে লিখিত বিখ্যাত একটি বাণী কিছুদিন যাবৎ নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

বাণীটি এমন-“Destroying any nation does not require the use of atomic bombs or the use of long range missiles. It only requires lowering the quality of education and allowing cheating in the examinations by the students.” The result is that: Patients die at the hands of such doctors. Buildings collapse at the hands of such engineers. Money is lost at the hands of such economists & accountants. Humanity dies at the hands of such religious scholars. Justice is lost at the hands of such judges…“The collapse of education is the collapse of the nation.”

বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা, শিক্ষক, শিক্ষা ক্যাডার ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অস্থিরতার প্রেক্ষিতে এই বার্তাটি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জরুরী ভিত্তিতে গবেষণার দাবি রাখে। শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার অনেকগুলো ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সময়োপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সম্পর্কীত অনুশাসন জারি, দেশের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ সেগুলোর অন্যতম। কিন্তু সরকারের এই সমস্ত মহতী উদ্যোগকে কিছু অসাধু, দূর্নীতিপরায়ন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি বানচালেরঅপচেষ্টাচালাচ্ছেনবলেইপ্রতীয়মানহয়।তারামূলতসরকারেরক্ষতিকরতেচাইছেন। বিভন্নগবেষণা ও পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে এমনই ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য। টেকসই উন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বক্ষ্যমাণ বিষয়গুলো সম্পর্কে সরকারের জরুরী হস্তক্ষেপ একান্ত প্রয়োজন বলে সূধীজনেরা মনে করেন। এক: বর্তমানে বিসিএস ক্যাডার পদে নিয়োগ পেতে একজন প্রার্থীকে প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, এনএসআই ও পুলিশ ভেরিফিকেশনের মুখোমুখী হতে হয়।

প্রথমে উল্লিখিত পরীক্ষাগুলিতে ব্যাপক প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়। প্রায় চার লক্ষ প্রার্থীর মধ্যে দুই-তিন হাজার বাছাইকৃত প্রার্থীকে কর্ম কমিশন সুপারিশ প্রদান করার পর রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিবিড় তদন্তেউপযুক্ত প্রমাণিত হতে হয়। ক্যাডার পদে নিয়োগ পেতে মেধা যেমন অপরিহার্য, তেমনি অপরিহার্যগোয়েন্দা সংস্থার তদন্তেউপযুক্ত প্রমাণিত হওয়া। চার লক্ষ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলেওসুপারিশপ্রাপ্ত একজন মেধাবী চুড়ান্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হতে পারেন না রাষ্ট্রর প্রতি, সরকারের আদর্শের প্রতি তার আনুগত্যের কমতি বা অনুপস্থিতি থাকলে। আজ পর্যন্ত শত শত নয়, হাজার হাজার প্রার্থীর ক্ষেত্রে এমনই ঘটেছে। উন্নত বিশ্বেওএই নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে, সরকারেরর কলেজ জাতীয়করণের সুযোগে কতিপয় পদাধিকারি এবং দেশের স্বার্থবিরোধী ব্যক্তিবর্গনিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আইন, সংবিধান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গণহারে ক্যাডারে প্রবেশের সুযোগ করে দিতে চাইছেন। এমনও যুক্তির অবতারনা করতে তারা পিছপা হয় না যে, সামনে নির্বাচন তাই আত্তীকৃতদের ক্যাডারভূক্ত করতে হবে। সবচেয়ে হাস্যকর এবং দেশদ্রোহী যুক্তিটি হচ্ছে, ‘সরকারি শিক্ষকদের প্রয়োজন শিক্ষার্থীদের জন্য আর নতুন জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের প্রয়োজন নির্বাচনের জন্য।‘প্রশ্ন হচ্ছে নতুন জাতীয়করণের অপেক্ষায় থাকা কলেজ শিক্ষকদের সকলেই কি সরকারের আদর্শকে ধারন করেন? এ প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য বিগত কয়েকটি সংসদ এবং স্থানীয় নির্বাচনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। রাজনীতিতে অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ না থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে সরকারি দলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বেসরকারি কলেজের শিক্ষকবৃন্দকে দেখা গেছে অসংখ্য ক্ষেত্রে। সরকারের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বীরসংখ্যাযেখানে এমন, সেখানে সরকারের আদর্শকে ধারন করে না এমন ব্যক্তিরপরিমাণকেমন হবে তা সহজে অনুমেয়।এতটুকুতেও হয়তো সমস্যা ছিল না। কেননা প্রতিটি ক্ষেত্রে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গীর মানুষের উপস্থিতিইগণতন্ত্রের সৌন্দর্য। সমস্যা হচ্ছে, বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বাদ পড়ে যাওয়া প্রার্থীদের মতো রাষ্ট্র ও জাতির প্রতি আনুগত্যহীন লোকের প্রকৃত সংখ্যা এখানে কত তা যাচাই না করেই গণহারে ক্যাডারভুক্ত করা হচ্ছে। সুতরাং যে সমস্ত ব্যক্তিকে সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত করারই সুযোগ নেই তাদেরকে সরাসরি ক্যাডারে নিযুক্ত করার এই ষড়যন্ত্রকারিদের সর্বাগ্রে খুঁজে বের করা সময়ের দাবী।

দুই: ২০১৯ সালে জাতীয় নির্বাচন। অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য এখন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নির্বাচনের রাজনীতির সাথে বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণ ইস্যূকে জড়িয়ে জনসম্মুখে নিয়ে আসা এবং তা সরাসরি মিডিয়াতে আলোচনা কতটুকু যৌক্তিক তা সরকারকে বিবেচনায় নিতে হবে। সমালোচক মহলে এরই মধ্যে জাতীয়করণ ইস্যূর সাথে নির্বাচনের যোগসূত্র তৈরীর উক্ত বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমন মহতী উদ্যোগকে নির্বাচনী রাজনীতির সাথে গুলিয়ে ফেলে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা দুরভিসন্ধিমূলক ছাড়া কিছুই নয়।

তিন: শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষক সেই মেরুদণ্ডটিকে যথার্থভাবে গড়ে তোলেন। সেকারণে শিক্ষককে বলা হয় জাতি গঠনের কারিগর। একটি জাতিকে সারা বিশ্বের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে সে জাতির শিক্ষকদের হতে হয় অনুসরণীয়, অনুকরণীয় এবং সবচেয়ে মেধাবী। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশে মেধাবীদের মধ্যে শিক্ষক হওয়ার প্রবনতা দিনকে দিন কমে যাচ্ছে। বিবিসি বাংলা বলছে-সামাজিকমূল্যায়নেরবিষয়টিশিক্ষকতারদিকেনাঝুঁকারকারণ। (বিবিসি বাংলা, ৫ অক্টোবর, ২০১৫)। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যগণ মনে করেন গণহারে যোগ্যতা যাচাই করা ছাড়াই বেসরকারি শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত করার কারণে শিক্ষা ক্যাডারটি সামাজিক মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে মেধাবীরা শিক্ষা ক্যাডারের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে। আবার ক্যাডারে থাকলেও উল্লিখিত কারণে মানসীক অস্থিরতায় আক্রান্ত হয়ে তারা শতভাগ অবদান রাখতে পারছেন না। এভাবে চলতে থাকলে অল্প দিনের মধ্যে বাংলআদেশে শিক্ষা ও শিক্ষা ক্যাডার চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। বিষয়টিকে আমলে নিয়েই দেশটির অভিভাবক তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত না করার অভিব্যক্তি বারবার ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু প্রচলিত আইন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে বানচাল করতেই কুচক্রী মহল, কখনো স্বৈরশাসকের অবৈধ ক্যাডারভুক্তকরণের দৃষ্টান্ত উপস্থাপন, কখনো নির্বাচনের দোহায়,কখনো নামমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডারে আত্তীকরণের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

চার: রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনের শাসন অপরিহার্য। সাংবিধানিক আইন, ক্যাডার নিয়োগের বিধি, শিক্ষানীতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন প্রভৃতিকে পাশ কাটিয়ে কোন ব্যক্তিকে সরাসরি প্রজাতন্ত্রের ক্যাডার পদে নিয়োগ করার কোন সুযোগ নেই। এখানে দুটি ক্ষতির কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে- ১. সমস্ত আইন-অনুশাসনকে লঙ্ঘন করার ফলে প্রজাতন্ত্রে গণকর্মচারী নিয়োগে আইনের শাসন চরমভাবে ব্যহত হবে। সুস্পষ্টভাবে বলতে গেলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১, ২০(১), ২৯(১) দফা এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ ৪(১), ৪(৩), ৪(৪)প্রভৃতি বিধানগুলো লঙ্ঘিত হবে। ২. বিসিএস পরীক্ষার সমস্ত ক্ষেত্রে উত্তীর্ণ হয়ে শুধু পদ না থাকার কারণে হাজার হাজার প্রার্থীকে নন-ক্যাডার, এমনকি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অথচ বিসিএস এর একটি ধাপও যারা অতিক্রম করতে পারেননি তাদেরকে সরাসরি ক্যাডার পদে নিয়োগ করলে বিসিএস পরীক্ষার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ইতমধ্যে ২৮ তম বিসিএস থেকে ৩৬ তম বিসিএস এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া হাজার হাজার নন-ক্যাডার কর্মকর্তা জাতীয়করণকৃত কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার মর্যাদা দেওয়া হলে যোগ্যতার পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েও তাদেরকে কেন ক্যাডার করা হবে না সে প্রশ্নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফোরাম গঠন করেছেন। এ সমস্ত কর্মকর্তা দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছেন তারা আদালতের স্মরণাপন্ন হবেন। এতে নিশ্চতভাবেই জনপ্রশাসনে অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে।এ প্রসঙ্গে এই মেধাবীগণ প্রশ্ন তুলেছেন চাকরি জাতীয়করণটাই যাদের কাছে স্বপ্নের চেয়ও বেশী তাদেরকে ক্যাডার বা নন-ক্যাডার মর্যাদা দেয়ার যৌক্তিকতা কোথায়? একদল মেধাবী বিসিএস পরীক্ষার সকল ধাপে উত্তীর্ণ হয়েও হবেন নন-ক্যাডার, আরেকদল বিসিএস আবেদনেরও যোগ্যতা ব্যতীত ক্যাডার বনে যাবেন। সত্যিই সেলুকাস!!

পাঁচ: জনপ্রশাসনের বিভিন্ন সার্ভিসে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের যখন দীর্ঘদিন চাকরি করার পর পদোন্নতি দেয়া হয়, তখন তাদেরকে ক্যাডার বহির্ভূত রেখেই পদোন্নতি দেয়া হয়। তাছাড়া সরকারি কলেজকে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়েছে, তখন কর্মরত শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। শুধু তাই নয়, শিক্ষা ক্যাডারের সেই পদগুলোকেও বিলুপ্ত করা হয়েছে। অপরপক্ষে, বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণের মাধ্যমে কোন রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই জাতীয়করণকৃত কলেজটির শিক্ষকদের সরাসরি ক্যাডারে আত্তীকরণ করা হলে একদিকে শিক্ষা ক্যাডারের মান প্রশ্নের সম্মুখীন হবে যাতে ভবিষ্যতে মেধাবী প্রজন্ম শিক্ষা ক্যাডার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, অন্যদিকে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যাদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে নিয়োগ করা হয় তাদের প্রতি হবে চরম অমানবিক আচরণ।

ছয়: বেসরকারি কলেজগুলো জাতীয়করণ তালিকা প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকগণ অত্যন্ত সরব। তারা ফেসবুকে বিভিন্ন পেইজ খুলে তাতে তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে চলেছেন। বিভিন্ন কারণে সরকারিকরণের আদেশ জারি করতে বিলম্ব হওয়ায় এই সমস্ত ভেরিফাইড পেইজে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদেরকে এমনকি সরকারের প্রতি বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছেন। জাতীয়করণ কোন কারণে না হলে শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের বিডিআর বিদ্রোহের কথা স্মরণ করিয়ে তাদের পরিবারকে প্রস্তুত থাকার হুমকি, সরকারকে নির্বাচনে দেখে নেয়ার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন। এক্ষেত্রে স্বাভবিকভাবে প্রশ্ন জাগে জাতীয়করণকৃত শিক্ষক নামধারি এই সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর দুঃসাহসের উৎস্য কোথায়? সেই অশুভ শক্তিই বারবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনকে পদদলিত করে বেসরকারি শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত করার বেআইনী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপচেষ্টা সংবিধান, আইন, বিধি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করার নামান্তর। উল্লেখিত সমস্যাগুলো ছাড়াও সরকারিকরণের তালিকায় অস্বচ্ছতা,শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতা, জাতীয়করণের সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় মামলা-পাল্টা মামলায় শিক্ষার পরিবেশ স্থায়ীভাবে ধ্বংস হওয়ার উপক্রম সহ অর্ধশতাধিক সমস্যা নিয়ে শিক্ষা ক্যাডারটিকে সামনের দিনগুলো কাটাতে হবে বলে বিশেষজ্ঞ মহল আশঙ্কা করছেন। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের সহজ পথটি হচ্ছে-জাতীয়করণের পূর্বে এ বিষয়ে একটি সংবিধানসম্মত আইন প্রণয়ন করা। যাতে বিসিএস উত্তীর্ণ ক্যাডারদের মর্যাদাকে স্বতন্ত্র রাখাও আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন করে শিক্ষা ক্যাডারটিকে সুমহান মর্যাদায় অধিষ্ঠত করার উদ্যোগ থাকবে।

লেখক: বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা প্রভাষক, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ।

** এই নিবন্ধের বিষয়বস্তু একান্তই লেখকের ব্যক্তিগত অভিমত।